১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাঁচ টাকাই সর্বনিম্ন মুদ্রা, উঠে যাচ্ছে এক ও দু’ টাকা ॥ অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পাঁচ টাকাকে সরকারী নোট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১ ও ২ টাকা মানের কোন মুদ্রা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রবিবার সচিবালয়ে ‘ভ্যাট আইন সংশোধন’ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে পাঁচ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত সবই ব্যাংক নোট। আর এক ও দুই টাকা সরকারী নোট।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরানো এক ও দুই টাকার নোটগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করা হবে। এগুলো ধ্বংস করতে ৩০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে হলে সরকারের কী লাভ হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের চেয়ে বেশি লাভ হবে মানুষের। অপ্রয়োজনীয় (ইউজলেস) টাকা নিয়ে মানুষকে ঘুরতে হয়। এক টাকা দিয়ে যে চকোলেট পাওয়া যায়, তাহলে কি সেটি পাওয়া যাবে না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এক টাকা-দুই টাকা দিয়ে আজকাল চকোলেট পাওয়া যায় নাকি? অর্থমন্ত্রী বলেন, পাঁচ টাকাই হবে সর্বনিম্ন মুদ্রা।

এদিকে, বাংলাদেশে বর্তমানে এক থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের মুদ্রা রয়েছে। এর মধ্যে এক ও দুই টাকার মুদ্রা বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়। যা সরকারী নোট হিসেবে পরিচিত। আর পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে অন্য সব নোট বের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন অর্থ মন্ত্রণালয় মুদ্রা বের করার কাজ থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে চাইছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মুদ্রার বাজারে এক ও দুই টাকার মুদ্রার সংখ্যা খুবই কমে এসেছে। এর আবেদন ধীরে ধীরে আরও ফুরিয়ে যাবে।

এদিকে, চলমান রাজনৈতিক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার পতনের জন্য যে জনসমর্থন দরকার এর এতটুকুও বিএনপির এই মুহূর্তে নেই। এ অবরোধ-হরতাল দেশের অর্থনীতির জন্য বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা শুধু অর্থনীতির জন্যই ক্ষতিকর নয়, জীবনও কেড়ে নিচ্ছে। এর কি কোন সমাধান নেই এ প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, এভাবে চলতে পারে না। এর একটা বিহিত হওয়া উচিত।