২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পোড়াবিলে তিন শ’ বিঘা জমিতে বোরো চাষে অনিশ্চয়তা

  • নিষ্কাশন মুখে অপরিকল্পিত পুকুর খনন করায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা, বালানগর, মাড়িয়া, কালচিকা ও কয়ড়া গ্রামের কৃষকদের তিন শ’ বিঘা জমিতে বোরো রোপণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় পোড়াবিলে অপরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশন মুখে পুকুর খনন করায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুম শুরু হলেও পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার বোরো চাষিরা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চেয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দফতরে আবেদন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকরা। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

কৃষকরা জানান, পারিলা ইউনিয়নের মাড়িয়া, বালানগর, পান্থপাড়া, কালচিকা, কয়ড়া, উজিরপুকুর ও মতিয়াবিলের পানি নিষ্কাশনের মুখে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় ওই এলাকায় বিভিন্ন ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে থাকে। এতে বোরো, গম, আলু, ভুট্টা আবাদ থেকে চাষিরা বঞ্চিত হচ্ছে। ২০১৩ সালে স্থানীয় মাছ চাষি কয়ড়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে সোহরাব হোসেন ও সাদু হোসেন ধানের জমি লীজ নিয়ে পানি নিষ্কাশন মুখে পুকুর খনন করেন। পরের বছর ভালাম গ্রামের মাইনুদ্দিন, মালেক, কয়ড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ, বাছের আলী ও আজগর পানি নিষ্কাশনের খাল বন্ধ করে পুকুর খনন করেন। এতে বিলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

পারিলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মনসুর রহমান বলেন, বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য তার আমলে সরকারীভাবে খাল কাটা হয়। তবে এখন ওই খাল বন্ধ করে অনেকে পুকুর খনন করায় বিলের পানি নামছে না। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে এলাকার চাষিরা চাষাবাদ বঞ্চিত হবেন নিজের জমিতে। মাড়িয়া গ্রামের অজিবর, আকতার ও কালচিকা গ্রামের এমরান আলী অভিযোগ করেন, জমিতে পানি থাকায় বোরো চারা লাগানোর উপযুক্ত হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না।

পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদত হোসেন কবির বলেন, পানি নিষ্কাশন খালে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের কারণে ওই বিলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে পুকুর মালিকদের না পাওয়ায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়নি। পুকুর মালিকদের নোটিস করা হবে।