২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুয়াকাটায় পর্যটন পুলিশের কার্যক্রম শুরু

  • দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২২ ফেব্রুয়ারি ॥ পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ট্যুরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে কুয়াকাটায় আগত পর্যটক-দর্শনার্থী ও পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ীদের সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলো। দীর্ঘ আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটায় পর্যটক-দর্শনার্থীর পাশাপাশি সেখানকার হোটেল-মোটেলসহ সকল ব্যবসায়ীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। রবিবার দুপুর থেকে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা তাদের কর্মকা- শুরুর বিষয়টি কুয়াকাটার ব্যবসায়ীদের অবহিত করেন। শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় হয়। রবিবার দুপুরে বের করা হয় শোভাযাত্রা। তবে খুব দ্রুতই ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

সূত্রমতে, বর্তমানে কুয়াকাটা পৌর এলাকার ‘আনন্দবাড়ি’ গেস্ট হাউস ভাড়া নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের যাত্রা শুরু হয়। ৩৪ সদস্যের পুলিশের একটি টিম ইতোমধ্যে কুয়াকাটায় পৌঁছেছে। ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রয়েছেন পরিদর্শক শাহজাহান দেওয়ান মনির। এসআই রয়েছে তিন জন, এএসআই নয় জন। কনেস্টবলসহ আরও অনেকে কর্মরত রয়েছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য সংখ্যা পর্যায়ক্রমে আরও বাড়বে বলে জানা গেছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রধান হিসেবে সবকিছু মনিটরিং করবেন। কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীতের সময় ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কলাপাড়ার কুয়াকাটায় ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দেন। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটক-দর্শনার্থীর পাশাপাশি এখানকার ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য স্বতন্ত্র পুলিশী কার্যক্রম চালু হওয়ায় তারা এখন স্বস্তিতে রয়েছেন। কাউন্সিলর মনির শরীফ জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম চালু হওয়ায় ব্যবসায়ীসহ ট্যুরিস্টরা স্বস্তি পাবেন। ওসি শাহজাহান মনির জানান, কুয়াকাটায় ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে অফিস স্পেসসহ বাড়ি ভাড়া নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পর্যটন এলাকার নিরাপত্তার কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, কিভাবে কুয়াকাটার সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে কাজ করা যায়। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একজন সাব-ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি টিম পর্যটন এলাকার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। তাদের কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা ছাড়াও লতাচাপলী ও ধুলাসার ইউনিয়নের নিরাপত্তা দিতে হতো। ফলে কুয়াকাটার সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে সমস্যা হতো।

এই মাত্রা পাওয়া