২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রস্তুত দক্ষিণ আফ্রিকা ॥ ডেভিড মিলার

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ প্রথম চার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯২ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ মঞ্চে এসেই চমক দেখায় তারা সেমিফাইনালে উঠে। এরপর ১৯৯৯ ও ২০০৭ বিশ্বকাপেও হট ফেবারিট তকমা থাকার পরও সেমি থেকে বিদায় নিয়েছে প্রোটিয়া শিবির। এবার আরেকটি সেমিফাইনাল তাদের সামনে। প্রতিপক্ষ আয়োজক ও স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এ কারণেই এবার ফাইনাল নামের অজানা একটি অভিজ্ঞতার স্বাদ পেতে আত্মবিশ্বাসী প্রোটিয়া শিবির। কারণ, নিউজিল্যান্ডের দুঃখটা আরও। এর আগে সর্বাধিক ৬ সেমি খেলেও ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। তাই কিউইরা প্রতিপক্ষ হওয়াতে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার। তিনি দাবি করেছেন এবার ফাইনাল নামের অচেনা জায়গায় পৌঁছতে আত্মবিশ্বাসী দলের সবাই। কোয়ার্টার ফাইনালের ফলই যেন বেশি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। নকআউট ম্যাচগুলোয় অতীত ইতিহাসে শুধু পরাজয় লিখা ছিল। সে কারণে যে তকমাটা কেউ চায় না সেই ‘চোকার্স’ লেবেলটা সেঁটে গেছে তাদের সঙ্গে। আর আগে খেলা ৬ বিশ্বকাপের তিনটিতেই সেমি খেলে বিদায় নেয়ার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকানদের গায়ে লেগে আছে ‘সেমিফাইনালের দল’ এমন এক বিরক্তিকর উপাধি। তবে যে কোন বিশ্বকাপের ইতিহাসে (ওয়ানডে ও টি২০) নকআউট পর্বে প্রথম জয়ের দেখাটা এবার পেয়ে গেছে গত দুই আসরের রানার্সআপ শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে একপেশে এক ম্যাচে ৯ উইকেটে তাদের বিধ্বস্ত করেছে প্রোটিয়ারা। এবার সেমিতে জিতলেই প্রথমবার ফাইনাল খেলার স্বাদটাও পেয়ে যাবে দল। এ বিষয়ে মিলার বলেন, ‘এটা এমনকিছু যা আমাদের জন্য অজানা।’ জিতলেই আগামী ২৯ মার্চ মেলবোর্নে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিতে জয়ী দলের বিরুদ্ধে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ বিষয়টা নিয়েই মিলার এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাদের সময়গুলো বেশ উত্তেজনায় কাটছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যেই আমরা হয়ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতে পারি। কিন্তু প্রতিটা সময়ই সুযোগ একবার। আমরা যতটা উন্মুখ তারচেয়ে সময়টা যেন একটু বেশিই ধীরগতিতে আসছে।’ মঙ্গলবার অকল্যান্ডের এডেন পার্কে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। আর এ ভেন্যুটি মূলত রাগবি খেলার জন্য সমধিক পরিচিত। এর ছোট্ট লংঅন বাউন্ডারির জন্য ইতোমধ্যেই অনেক চার-ছক্কা দেখা গেছে। এরপরও চলতি বিশ্বকাপে দুটি লো-স্কোরিং ম্যাচের মোঞ্চকর লড়াই দেখা গেছে। ট্রান্স-তাসমান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লো-স্কোরিং ম্যাচে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছিল ব্ল্যাক ক্যাপস শিবির। আর পাকিস্তানের কাছে ২৯ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয়। তবে যেভাবেই হোক মিলার এখানে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে চান।