২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মহাখালীতে অজ্ঞান পার্টির কবল থেকে দু’জনকে উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর মহাখালী থেকে অজ্ঞান পার্টি কবলে পড়া দুই জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, যাত্রাবাড়ী থেকে অস্ত্র, মাদক ও বিদেশী মুদ্রাসহ দুজনকে গ্রেফতার এবং নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও বিক্রির দায়ে চারজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জেল জরিমানার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর দেড়টায় মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে আবুল মনসুর (৭৫) ও আব্দুল জব্বার (৪৮) নামে দুজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বাসচালক বিল্লাল হোসেন। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়। তারা ভালুকা থেকে ডাউন টাউন নামে যাত্রীবাহী বাসে ঢাকায় আসছিল। অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে তাদের সঙ্গে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন খোয়া যায়। আবুল মনসুরের মেয়ে শিউলী আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তাঁর পিতা জমি বেচাকেনার ব্যবসা করেন। অপরজন তার পিতার বন্ধু। দুজনেই জমির বেচাকেনার কাজে ঢাকায় যাচ্ছিল।

সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর কদমতলীর আলমবাগ থেকে বাপ্পারাজ (৩৫) ও মুক্তার (৪৫) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১০ এর একটি দল। র‌্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মেজর মাকসুদুল আলম জানান, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে জার্মানির তৈরি একটি সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ পিস্তল, একটি ম্যাগাজন, ছয় রাউন্ড তাজা বুলেট, ৬৫ গ্রাম হেরোইন, প্রায় তিন লাখ টাকা, ডলার, রিয়াল, দিনার ও ভুটানী রুপী উদ্ধার হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, সোমবার সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক ড. মোঃ দিদারুল আলম ও র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট মোঃ আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার আটিবাজার এলাকার তিনটি অবৈধ কসমেটিকস তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়।

অভিযানে কারখানার দুই মালিক আরমান হোসেন (৪০) ও সালাহ উদ্দিন (২৮), কর্মচারী সুশান্ত মদক (৩৭) ও রবি মদককে (৩০) গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে গোপীনাথ মেকআপ নামের প্রায় ভুয়া প্রসাধনী জব্দ করা হয়। আদালত গ্রেফতারকৃত দুই মালিককে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদ- এবং দুই কর্মচারীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট দশ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদ- দেয়া হয়। কারখানা তিনটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

আসামিদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, কারখানায় টেলকম পাউডার, কৃত্রিম রং, প্যাকিং এবং স্টিকার চকবাজার থেকে সংগ্রহ করে সেখানে কসমেটিকস উৎপাদন করে তা রাজধানীর চকবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে বাজারজাত করা হতো। এ সকল ভেজাল কসমেটিকস ব্যবহারে চর্মরোগসহ ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।