২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঠাকুরগাঁওয়ে তিন হাজার বিঘা জমিতে সেচ সুবিধা নেই

  • বিদ্যুত সংযোগ না থাকায় কৃষক বিপাকে

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ৬ মে ॥ বিদ্যুত সংযোগ না দেয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৮টি নতুন গভীর নলকূপের অধীনে প্রায় তিন হাজার বিঘা জমির বোরো খেতে অল্প খরচে সেচ দেয়া যাচ্ছে না। এতে ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপ দিয়ে সেচ দিতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ হওয়ায় ৭শ’ ৫০ জন কৃষক বিপাকে পড়েছেন।

কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিত্র) কাছে আবেদন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছেন। বিএমডিএ ট্রান্সফরমার ও গভীর নলকূপ বসিয়ে নতুন বৈদ্যুতিক তারও টেনেছে। কিন্তু পল্লী বিদ্যুত সমিতি (পবিস) বিদ্যুত-সংযোগ না দেয়ায় তাঁরা জমিতে কম খরচেয়ে সেচ দিতে পারছেন না। এতে ধান চাষ করে তাঁদের লোকসান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক শাহজালাল ও কোষা গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, ডিজেল চালিত ইঞ্জিন দিয়ে অগভীর নলকূপের মাধ্যমে তিন বিঘা জমিতে সেচ দিতে ৮শ’ ৫০ টাকা খরচ হয়। আর বিদ্যুতচালিত পাম্প দিয়ে গভীর নলকূপের মাধ্যমে একই পরিমাণ জমিতে সেচ দিতে মাত্র ১শ’ ৫০ থেকে ১শ’ ৬০ টাকা খরচ হয়। ১৫-১৬টি গভীর নলকূপ এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যুতের খুঁটি বসিয়ে তার টানা হয়েছে। কিন্তু একটি গভীর নলকূপেও বিদ্যুতের সংযোগ দেয়া হয়নি। বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল আলম বলেন, ‘গভীর নলকূপে নতুন লাইন স্থাপন করেও পবিস থেকে অভ্যন্তরীণ তারকরণ করার অনুমতি না পাওয়ায় কাজ থেমে গিয়েছিল। গত শনিবার ১০টি গভীর নলকূপের নতুন লাইন পবিসকে হস্তান্তর করেছি। ফিও জমা দিয়েছি। অভ্যন্তরীণ তারকরণ করার অনুমতি পেয়ে কাজও শুরু করেছি। কিছুদিনের মধ্যে কাজ শেষ হলেই বিদ্যুত সংযোগ দেয়ার জন্য পবিসকে অনুরোধ করা হবে।’ পবিস পীরগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম একেএম মাসুদুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যুতের লাইনের লোড (ধারণক্ষমতা) না থাকায় আগে নতুন সংযোগ দেয়ার সুযোগ ছিল না।

নীলফামারীতে বখাটের হুমকিতে ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি বখাটের অপহরণের হুমকির কারণে নিরাপত্তার অভাবে স্কুল যাওয়া বন্ধ হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায় নাউতারা বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর এক মেধাবী ছাত্রীর। গত ১৫ দিন থেকে ছাত্রীটির স্কুল যাওয়া বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা ডিমলা থানায় চার বখাটের নামে লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার প্রশ্ন তুলেছেন এই পরিবারটি। অভিযোগে জানা গেছে, ২২ এপ্রিল বিদ্যালয় মাঠ থেকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায় চার বখাটে স্কুলের পার্শ¦বর্তী একরামুল হকের বাড়িতে। সেখানে তাকে বিভিন্ন ভাবে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এ সময় একরামুলের পুত্র আরিফুল ইসলামসহ (২৪) বাড়িতে থাকা চার বখাটে শ্লীলতাহানি ডিমলা থানা ওই মামলাটি নথিভুক্ত এখনও করা হয়নি জানিয়ে থানার এসআই সহিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন । তদন্তে ঘটনাটি প্রমাণিত হলে মামলা নথিভুক্ত করা হবে। ডিমলা থানার ওসি রুহুল আমীন খান বলেন, ঘটনটির তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচিত সংবাদ