২৫ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পারমাণবিক অস্ত্র পাচ্ছে আইএস!

অনলাইন ডেস্ক ॥ ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এক বছরের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হবে বলে খবর বেরিয়েছে।

আইএসের মুখপাত্র বলে পরিচিত ‘দাবিক’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে শনিবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

আইএসের হাতে বন্দি ব্রিটিশ ফটোসাংবাদিক জন কেন্টলির লেখা ওই প্রতিবেদেনে দাবি করা হয়, এক বছরের মধ্যে সংগঠনটি তাদের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র কিনতে চলেছে। অস্ত্রটি কেনা হবে পাকিস্তানের কাছ থেকে।

ব্রিটিশ ফটোসাংবাদিক জন কেন্টলি দুই বছর ধরে আইএসের কাছে বন্দিদশায় রয়েছেন। বর্তমানে দাবিক ম্যাগাজিনে প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ‘দাবিক’ বলে, বর্তমান বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল ‘ইসলামিক গ্রুপ’ এক বছরের মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল ‘ইসলামিক আন্দোলনে’ পরিণত হবে, যা এর আগে বিশ্ব কখনও দেখেনি।

‘দ্য পারফেক্ট স্টর্ম’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএস জঙ্গিরা এরই মধ্যে ইরান ও মার্কিন বাহিনীর কাছ থেকে ট্যাংক, রকেট লঞ্চার, মিসাইল সিস্টেম, অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট সিস্টেম ছিনিয়ে নিয়েছে। তারা এখন অস্ত্রে সমৃদ্ধ।

দাবিক বলে, ব্যাংকে বর্তমানে ইসলামিক স্টেটের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পড়ে রয়েছে। এই অর্থ কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। এরই অংশ হিসেবে পাকিস্তানে আইএসের ওয়ালিয়াহকে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই কাজে সহায়তা দেবে দেশটির দূর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আর যদি পারমাণবিক অস্ত্র না কেনা যায়, তাহলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরক তো রয়েছেই। পারমাণবিক অস্ত্রের সমপরিমাণ অর্থ ব্যায়ে হাজার টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট তো পাওয়াই যাবে।

দাবিক তার প্রতিবেদনে বলে, আইএস সত্যিকার অর্থেই বড় কিছু করার প্রত্যাশায় রয়েছে। এক বছরের মধ্যে সংগঠনটি কি করেছে, তা মনে রাখতে হবে। আর তা থেকেই ধারণা করে নিতে হবে, আগামী এক বছরে আইএস কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করবে।

বর্তমানে ইসলামিক স্টেট ইরাক ও সিরিয়ার সিংহভাগ এলাকায় নিজেদের শাসন কায়েম করেছে। সম্প্রতি সিরিয়ার হোমস প্রদেশের ঐতিহাসিক পালমিরা দখলের পর দেশটির অর্ধেক এলাকা (প্রায় এক লাখ বর্গকিলোমিটার) সংগঠনটির দখলে চলে গেছে। এই দুই দেশের বেশিরভাগ তেল ও গ্যাসক্ষেত্র এখন আইএসের দখলে।

নির্বাচিত সংবাদ