২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সারকোজির দলের নতুন নাম দি রিপাবলিকান্স

ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি তার রাজনৈতিক দলের নাম পরিবর্তন করেছেন। ইউনিয়ন ফর এ পপুলার মুভমেন্ট (ইউএমপি) নাম পরিবর্তন করে তিনি নতুন নামকরণ করেন দি রিপাবলিকান্স। খবর বিবিসির।

শুক্রবার ফ্রান্সের প্রধান বিরোধী দলটি তাদের নতুন নামের প্রচার চালায় এবং দলটির ৮৩ ভাগ সদস্য এটি অনুমোদন করে। তবে এ পদক্ষেপ ফ্রান্সে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সমালোচকরা বলছেন, ফ্রান্সের সবাই রিপাবলিকান্স। ধারণা করা হচ্ছে, সারকোজি ২০১৬ সালে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন। একটি জনমত জরিপে উঠে এসেছে, জনগণের প্রায় ৭০ ভাগ এবং ইউএমপি সমর্থকদের ৪০ ভাগ মনে করেন, কোন রাজনৈতিক দলেরই ‘রিপাবলিকান’ লেবেল গ্রহণ করার অধিকার নেই। বামপন্থী সমর্থকরা আদালতে এ নামকরণের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। তারা ফ্রান্স রেভ্যুলিউশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাবি করেন, শুধুমাত্র সারকোজির ভোটার নয়, ফ্রান্সের প্রতিটি নাগরিকই রিপাবলিকান। অবশ্য আদালত এই নামকরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ২০১২ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিকোলাস সারকোজি ফ্রেন্স সোস্যালিস্ট পার্টি নেতা ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের কাছে হেরে যান।

আইএসে যোগ দেয়া তিন স্কুলছাত্রী অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্ররোচনায় যুক্তরাজ্য থেকে সিরিয়া যাওয়া তিন স্কুল ছাত্রী তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ওই তিন স্কুলছাত্রীর মধ্যে একজন তার আত্মীয়-স্বজনকে ফোন করে বলেছে যে, সে সুস্থ এবং ভাল আছে। কিন্তু সে ফিরে আসবে না। আর অন্যরা অনলাইনে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। খবর গার্ডিয়ান।

এ বছরের প্রথম দিকে ফেব্রুয়ারিতে তিন স্কুলবান্ধবী শামীমা বেগম (১৫), খাদিজা সুলতানা (১৬) ও আমিরা আব্বাসি (১৫) পূর্ব লন্ডন থেকে তুরস্কে যায় এবং সেখান থেকে তারা ওই অঞ্চল অতিক্রম করে আইএস নিয়ন্ত্রিত সিরিয়ায় যায়। তিন মাসেরও বেশি সময় পরে আইটিভি নিউজ রিপোর্ট করেছে যে, তাদের মধ্যে একজন যুক্তরাজ্যে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং বলেছে সে সুস্থ, নিরাপদ ও ভাল আছে। কিন্তু সে জোর দিয়ে বলেছে যে, সে এবং অন্যরা দেশে ফিরে আসতে চায়। তার বান্ধবীরা ইন্টারনেটে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আইএসে যোগদান থেকে তাদের মেয়েদের বাধা দিতে পারত।

নির্বাচিত সংবাদ