১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সুয়ারেজ ছাড়াই আশাবাদী উরুগুয়ে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ চার বছর আগে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৫তম শিরোপা জয় করে উরুগুয়ে। এবার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কোপা আমেরিকা ফুটবলে মাঠে নামার অপেক্ষায় বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়নরা। তবে এবার উরুগুয়ে পাচ্ছে না তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজকে। তুখোড় ফর্মে থাকা বার্সিলোনা সুপারস্টার নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারছেন না। এরপরও উরুগুয়ে শিরোপা ধরে রাখার বিষয়ে আশাবাদী।

এবারের আসরে ‘বি’ গ্রুপে খেলবে কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। গ্রুপে উরুগুয়ের প্রতিপক্ষ ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, জ্যামাইকা ও প্যারাগুয়ে। ২০১১ কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন দল উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ এবারও কোচের ভূমিকায় আছেন। গতবার শিরোপা জয়ের পথে সুয়ারেজ দুর্দান্ত খেলেছিলেন। ফাইনালে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়ী ম্যাচে এক গোলসহ মোট ৪ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। এবারও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি। কিন্তু ব্রাজিল বিশ্বকাপে কামড় কা-ের কারণে নিষিদ্ধ হওয়ায় এবার তিনি খেলতে পারছেন না মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের আসর। এরপরও উরুগুয়ে আশাবাদী ভাল করতে। দলটির মিডফিল্ডার দিয়াগো গডিন বলেন, আমরা অস্বীকার করছি না যে সুয়ারেজকে আমরা মিস করব। কিন্তু এখন তো কিছুই করার নেই। সে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। এরপরও তাকে ছাড়াই আমাদের লড়তে হবে। গডিন আরও বলেন, আমরা দারুণ ফর্মে আছি। আমরা দারুণ একটি দল, আমাদের অসাধারণ সব ফুটবলার আছে। আমরা আশাবাদী। উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ অবশ্য আর্জেন্টিনাকে সমীহ করছেন। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা নিঃসন্দেহে এবারের আসরের সেরা দল। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে শিরোপা ধরে রাখার। কোপা আমেরিকার আসর শুরুর আগে কিছুটা বিপাকে পড়েছে আয়োজক চিলি। উদ্বোধনী ম্যাচ সামনে রেখে চিলির ট্রেনিং কমপ্লেক্সের বাইরে প্রতিবাদ কর্মসূচীসহ মানববন্ধন করেছে শতাধিক শিক্ষক। চিলির প্রেসিডেন্ট মাইকেল বাচেলেট কর্তৃক প্রবর্তিত টিচার্স নিয়মকে কেন্দ্র করে ১ জুন থেকে ধর্মঘট শুরু হয়। গত বছর অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগেও ব্রাজিলের জনগণ বিভিন্ন দাবিতে রাস্তায় নেমে ব্যাপক বিক্ষোভ করে। মানববন্ধন ও ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারীরা আলেক্সিস সানচেজসহ চিলির অন্য তারকা ফুটবলারদের তাদের এই প্রচারকে সমর্থন দেয়ার আহ্বান জান?ান। শ্রেণীকক্ষের আয়তন কমানো, প্ল্যানিং ও টিচিং টাইম, স্কুলের সময়সূচীতে সামঞ্জস্য আনা, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও পেনশন সুবিধার সমন্বয়সহ বিভিন্ন দাবিতে রাস্তায় নেমে সবাই প্রতিবাদ জানায়।