২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নিম্নমানের গম আমদানির অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টে রিট

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ব্রাজিল থেকে চার শ’ কোটি টাকার ‘নিম্নমানের’ গম আমদানির অভিযোগ দুদককে দিয়ে তদন্তের আদেশ চেয়ে একটি রিট আবেদন হয়েছে হাইকোর্টে। রবিবার আইনজীবী পাভেল মিয়ার করা এ আবেদনটি সোমবার কার্য তালিকায় আসে। বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোঃ সাইফুর রহমানের বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। আবেদনে আমদানি করা গম নিয়ে অভিযোগ উঠায় দুদকের মাধ্যমে তদন্ত এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) ও বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বারি) মাধ্যমে গম পরীক্ষার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মানহীন গম আমদানি এবং সরবরাহ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, বিএসটিআই ও বারি’র ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না, অনিয়মের অভিযোগ কেন তদন্তের নির্দেশনা দেয়া হবে নাÑ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রিটে বিবাদী করা হয়েছে খাদ্য সচিব, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে। আবেদনে গম নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়।

সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গমের মান নিয়ে খাদ্য অধিদফতর থেকে আপত্তি তোলা হয়েছিল। ব্রাজিলের কৃষি মন্ত্রণালয় বা অন্য কোন বিভাগ এর মান নিয়ে কোন সনদ দেয়নি। বন্দরে অবস্থানকারী খাদ্য অধিদফতরের রসায়নবিদরা এই গমের বেশ কয়েকটি চালানকে ‘বি’ ক্যাটাগরির বা মাঝারি থেকে নিম্নমানের হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এসব জেনেও খাদ্য অধিদফতরের তৎকালীন মহাপরিচালক সারোয়ার খান চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ওই গমের ছাড়পত্র দেয়ার নির্দেশ দেন। অধিদফতরের আমদানিসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত, চিঠি ও পর্যালোচনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এই গম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশন হিসেবে সরবরাহের পর এর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে। পুলিশের সব বিভাগীয় কার্যালয় এই গমকে নিম্নমানের এবং খাওয়ার অযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করে একাধিকবার চিঠি দেয়। তারপরও খাদ্য মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই বারবার বলছে, এই গম অখাদ্য নয়। খাদ্যমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যেও তা-ই বলেছেন। গত বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একই কথা বলেছে।’