১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যুদ্ধাপরাধ মামলায় কিশোরগঞ্জে মুসলেম উদ্দিন গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ৭ জুলাই ॥ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জেলার নিকলী উপজেলার কামারহাটি গ্রামের মুসলেম উদ্দিন প্রধানকে (৬৬) আটক করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে নিকলী থানা পুলিশ তার বাড়ি থেকে মুসলেহ উদ্দিনকে আটক করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে পুলিশ কোন কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। মুসলেম উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া জানান, কি কারণে তার বাবাকে আটক করা হয়েছে তা তাদের জানানো হয়নি। মুসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় নিকলী থানায় হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মুসলেম উদ্দিনের আটকের খবরে সাংবাদিকরা থানায় গেলে পুলিশ ছবি তুলতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি হয় সাংবাদিকদের।

গাইবান্ধায় বেড়েছে গরু চোরের উপদ্রব

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা, ৭ জুলাই ॥ গরুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে লক্ষ্য করে সাঘাটা উপজেলার সর্বত্র গরু চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। সংঘবদ্ধ চোরের দল প্রতিরাতেই কোথাও না কোথাও গোয়াল ঘর থেকে গরু চুরি করে ভটভটিযোগে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে গরু চুরির আতঙ্কে কৃষকরা রাত জেগে গোয়াল ঘর পাহারা দিচ্ছে।

এলাকাবাসী জানায়, গত ১১ দিনে সাঘাটা উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের ওহাব ম-লের গোয়াল ঘর থেকে চারটি, কচুয়া গ্রামের আজিবর রহমানের গোয়াল ঘর থেকে তিনটি, চন্দনপাট গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের গোয়াল ঘর থেকে তিনটি, শিমুলতাইড় গ্রামের আব্দুস সাত্তারের গোয়াল ঘর থেকে পাঁচটি বিভিন্ন এলাকায় ২৮টি বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে।

ময়মনসিংহের চার হত্যার আসামি বি’বাড়িয়ায় গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ॥ ময়মনসিংহের নান্দাইলে চাঞ্চল্যকর একই পরিবারের ৪ জন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হিরণ মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর সীমান্ত থেকে বিজিবির সহায়তায় গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পরপরই কড়া পুলিশ প্রহরায় ময়মনসিংহ নেয়া হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ৪ খুনের ঘটনার সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল। হত্যা মামলার ৩নং আসামি কিরণ হত্যাকা-ে পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। ১২-বিজিবি ব্যাটালিয়নে অধিনায়ক লে. কর্নেল নজরুল ইসলাম জানান, ভোরে ময়মনসিংহ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর সীমান্তে অভিযান চালায়। এ সময় আসামি হিরণ পুলিশ ও বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করে। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বান্দরবানে ক্ষমা পেলো না আ’লীগের ২১ নেতাকর্মী

নিজস্ব সংবাদদাতা, বান্দরবান, ৭ জুলাই ॥ বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সন্মেলনে হামলাকারী আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের ২১ নেতাকর্মী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়েও পার পেলো না, তাদের করা হয়েছে বহিষ্কার।

জানা গেছে, সোমবার রাতে বান্দরবান জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের জরুরী সভার আয়োজন করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্য শৈ হ্লা’র সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র নেতারা।

আরো জানা গেছে, সভায় ছাত্রলীগের সম্মেলনে হামলার ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তদন্ত কমিটি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় হামলার ঘটনার প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি আহসানুল আলম রুমু, ইব্রাহিম, ইমরান উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, আরিফ, ফরহাদ হোসেন, রুবেল, রোকন, তারেক, শিমুল দাশ, চ্যানেল নাইন এর জেলা প্রতিনিধি এন এ জাকির, পঙ্কজ নাথ, রনি মল্লিক, বাপ্পি মল্লিক, পলাশ তংচঙ্গ্যা, মাস্টার বাবু, তাপস দাশ, জলিল, মেহেদি হাসান মানিক, ময়না রাজু, মোমেন। তারা সবাই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মী।

বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদুর রহমান রাশেদ বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে তাদের দলে রেখে লাভ নেই।