১৫ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টাঙ্গাইলে ১১ বছরেও নির্মিত হয়নি বাগবাড়ী সেতু

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ৮ জুলাই ॥ ভুঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কে বাগবাড়ী ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ১১ বছরেও নতুন করে তৈরি করা হয়নি। এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল সচল রাখতে জোড়াতালি দিয়ে কোন রকমে একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে কর্তৃপক্ষ। এই বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন তারাকান্দি সার কারখানার সার নিয়ে শতশত ভারি যানবাহন ঝুঁকিপূর্ণভাবে উত্তরবঙ্গের দিকে চলাচল করছে।

এতে প্রায়ই ঘটে ছোট-বড় অনেক দুর্ঘটনা। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুসহ আহত হয়েছে প্রায় শতাধিক। গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করছেন অনেকে। জানা গেছে, বিগত ২০০৪ সালের বন্যায় যমুনা নদীর পানির তীব্র স্রোতে ভুঞাপুর উপজেলা ও বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কের বাগবাড়ী ব্রিজটি ভেঙ্গে যায়। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এ সড়কের আরও দুটি বক্সকালভার্ট। অন্য আরও দুটি বক্সকালভার্টের অংশ বিশেষ পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ার পর সেখানে প্রথমে বিকল্প বাঁশের সেতু নির্মাণ এবং পরে মেরামত করে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। বাগবাড়ী বক্সকালভার্টটির পাশে বেইলি ব্রিজ স্থাপন করে সাময়িকভাবে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বেশকিছু স্টিলের পাটাতন ভেঙ্গে টুকরো ও ফুটো হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে ভুঞাপুর উপজেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী জানান, এই ব্রিজের জন্য ২০১১ সালে একটি প্রকল্প করে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তা পাস হয়নি। কিন্তু গত বছর নতুন করে বাগবাড়ী ব্রিজটিসহ কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গা থেকে ভুঞাপুর পর্যন্ত ১০টি ব্রিজ ও একটি বক্সকালভার্ট নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে কাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে ঈদের আগেই মহার্ঘভাতাসহ বকেয়া বেতন পরিশোধের সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলসমূহের শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতাসহ বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগেই পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগসহ জাতীয় শ্রমিক লীগের অন্তর্ভুক্ত সকল সিবিএ নন সিবিএ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন পাটমন্ত্রী, পাট প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় ১১ দফা দাবির বিষয়ে আলাপ-আলোচনা শেষে রমজান মাসের শেষ সপ্তাহে এবং ঈদের আগেই ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। -বিজ্ঞপ্তি