১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আইএস মোকাবেলায় প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে ব্রিটেন

  • জাতীয় আয়ের দুই শতাংশ ব্যয় হবে গোয়েন্দা বিমান, ড্রোন ও বিশেষ বাহিনীর জন্য

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন দেশী ও বিদেশী ইসলামী চরমপন্থীদের হুমকি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্বিন্যাসের জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে যুদ্ধে আরও গোয়েন্দা বিমান, মানুষবিহীন ড্রোন কিনতে এবং স্পেশাল এয়ার সার্ভিসের (এসএএস) জন্য কোটি কোটি পাউন্ড ব্যয় করা হবে। ব্রিটেনের সাইবার ওয়েলফেয়ার সক্ষমতাকেও ঢেলে সাজানো হবে। খবর ডেইলি মেইল ও টেলিগ্রাফের।

ব্রিটিশ সরকার গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছে, সরকার আগামী দশক পর্যন্ত প্রতিবছর ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা খাতে জাতীয় আয়ের দুই শতাংশ ব্যয় করবে। ক্যামেরন নিশ্চিত যে, আইএস ও আল কায়েদার তথাকথিত ‘সামঞ্জস্যহীন যুদ্ধ’ মোকাবেলায় সামরিকবাহিনীর প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি সবসময় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রথমে রাখি। তাই প্রতিরক্ষা খাতে আমাদের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের দুই শতাংশ ব্যয় করা সঠিক সিদ্ধান্ত। কারণ এই বিনিয়োগ আমাদের নিরাপদ রাখতে সহায়তা করবে। আমাদের শক্তিশালী ও নিরাপদ অর্থনীতি নিশ্চিত করার কারণেই কেবল এই কাঠন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়েছে। এখন আমরা জানি কিভাবে কত অর্থ ব্যয় করব। আইএস ও ইসলামী জঙ্গীদের হুমকি কিভাবে প্রতিহত করা যায়, তা নিয়ে আমি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রধানদের সঙ্গে কাজ করেছি। এজন্য আরও গোয়েন্দা বিমান, ড্রোন ও বিশেষ বাহিনীর প্রয়োজন। গত পাঁচ বছরে আমি দেখেছি এই সম্পদগুলো আমাদের নিরাপদে রাখতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইতোমধ্যেই অংশ নিয়েছে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমান, ড্রোন ও স্পেশাল বাহিনী। ক্যামেরন এখন সিরিয়ায় তাদের ভূমিকা বাড়ানোর চিন্তা করছে।

তারা আফগানিস্তানে তাদের ভূমিকা পালন করেছে এবং লিবিয়া ও উত্তর আফ্রিকার বিশৃঙ্খল অংশ থেকে মানবপাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে প্রস্তুত হচ্ছে। বর্তমানে নির্মিতব্য নতুন দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে ড্রোন উৎক্ষেপণ ও বিশেষ বাহিনীর বিমানের একক উড্ডয়নের সক্ষমতা নিশ্চিত করতে মার্কিন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর প্রধানদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ক্যামেরন। এই এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার দুটি নির্মানে ৬০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় হচ্ছে।