১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্র্টার ॥ ঈদ সামনে রেখে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ায় এক সপ্তাহেই বাংলাদেশের বিদেশী মুদ্রার সঞ্চয়ন ফের ২৫ বিলিয়ন (দুই হাজার ৫শ’ কোটি) ডলার অতিক্রম করেছে। যদিও এর আগে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের কারণে তা কমেছিল।

রফতানি আয় ও রেমিটেন্সের ওপর ভর করে গত ২৫ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলারের সীমা পেরিয়েছিল। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে আকুর বিল পরিশোধের পর তা কমে যায়।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের কারণে কমে গেলেও ঈদ সামনে রেখে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ায় এক সপ্তাহেই বাংলাদেশের বিদেশী মুদ্রার সঞ্চয়ন ফের ২৫ বিলিয়ন (দুই হাজার ৫শ’ কোটি) ডলার অতিক্রম করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন রিজার্ভ এ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও রমজান মাসে প্রবাসীরা অর্থ পাঠাচ্ছেন বেশি। ঈদ উপলক্ষে রেমিটেন্স প্রবাহ অনেক বেড়েছে। এ ছাড়া রফতানিতে ভাল প্রবৃদ্ধি বজায় থাকার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন বাড়ার ফলে আমদানি চাহিদা তুলনামূলক কম রয়েছে। এসব কারণে বাড়ছে রিজার্ভ। প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় গত কয়েক দিনে রিজার্ভ বেড়ে ফের ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারে। এই অর্থ দিয়ে সাত মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশী মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়। বাংলাদেশকে দুই মাস পরপর পরিশোধ করতে হয় আকুর বিল।

গেল ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা এক হাজার ৫৩১ কোটি (১৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। এই অঙ্ক আগের অর্থবছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের রফতানি আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৯ এপ্রিল রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ২৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। আর ফেব্রুয়ারিতে রিজার্ভ ২৩ বিলিয়নের ওপরে দাঁড়ায়। তারও আগে গত বছরের আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

নির্বাচিত সংবাদ