২৩ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে যাত্রীর ঢল

  • অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ॥ ঈদ যতই এগিয়ে আসছে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় শিমুলিয়া ফেরিঘাটে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষ। তবে বাস, লঞ্চ, স্পিটবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে উত্তাল পদ্মা পরাপার। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া যাত্রীদের নিরাপত্তাসহ নির্বিঘেœ পারাপারে প্রশাসনের উর্ধতনদের পরিদর্শন, কন্টোলরুম স্থাপন এবং নানা কমিটি গঠন করা হলেও যাত্রী হয়রানি চলছেই। এদিকে বুধবার পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি একেএম মাহফুজুল হক নুরজ্জামান এবং নৌপুলিশের মোঃ মনিরুজ্জামান শিমুলিয়া ঘাট পরিদর্শন করেছেন। এদিকে ঘাটের নিরাপত্তায় পুলিশ সিসি ক্যামেরা, সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ স্টেশন এবং পুলিশ কন্ট্রোলরুম স্থাপন করেছে।

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মাওয়ার শিমুলিয়া ঘরমুখো মানুষের ঝুঁকিরপর্ণভাবে চলছে নদী পারাপার। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ঘাটে ঘাটে চলছে বিড়াম্বনা। এ নিয়ে ঘরমুখো মানুষের রয়েছে নানা অভিযোগ। এদিকে সবচেয়ে বেশি বিড়াম্বনার শিকার হচ্ছে স্পিডবোট ঘাটে। ১৫০ টাকার স্থলে যাত্রীপ্রতি ২শ’ টাকা। ছোট বোটে ৮ জন এবং বড় বোটে ১২ যাত্রী প্রশাসন নির্ধারণ করে দিলেও যেখানে উত্তাল পদ্মায় প্রতি বোটে পারাপার করা হচ্ছে ১৮ থেকে ২৫ যাত্রী। ঝুঁকিপূর্ণভাবে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে যাত্রীরা আতঙ্কিত। ফরিদপুরগামী যাত্রী মর্জিনা বেগম জানান, কোন নিয়মই মানা হচ্ছে না। ভাড়াও বেশি নেয়া হচ্ছে আবার যাত্রী তোলা হচ্ছে অতিরিক্ত তাই ভয় হচ্ছে।

স্পিটবোডের ভাড়া আদায়কারী কাউন্টারের বাস আব্দুল মাতেন বলেন, একমুখী যাত্রী বেশি তাই ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে। ১৮০ থেকে ২শ’ টাকা নেয়া হচ্ছে। আর ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নেয়া হচ্ছে না।

নাড়ির টানে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে হয়রানির শিকার হয়েও নিরুপায় যাত্রীরা বাধ্য হচ্ছে পদ্মা পারাপারে। এমনকি ডিআইজির সামনেই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছিল লঞ্চ ও স্পিটবোড।

বাংলাদেশ নৌপুলিশের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, কিছু সমস্যা ও অনিয়ম রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বগুড়ার মহাসড়কে মানুষের স্রোত

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া থেকে জানান, মহাসড়কে এখন ঈদের জন্য ঘরমুখো মানুষের স্রোত। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে নাড়ির টানে কর্মস্থল ছেড়ে ঈদ যাত্রায় শরিক হয়েছেন লোকজন। বাস কোচ ট্রেন ছাড়াও ট্রাকও এখন যাত্রী পরিবহন হয়ে উঠছে। আর ছাদে ভ্রমণ মানা থাকলেও সে নিয়ম কেউ মানছেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বাস কোচের ছাদে ভ্রমণ চলছে। যে করেই হোক বাড়ি ফিরতে হবে, চিরায়িত সেই আবেগ কিছুতেই থামার নয়। বাড়ি ফেরার আনন্দ দুর্ঘটনার ঝুঁকিকে উপেক্ষিত করে তুলছে। আর এ পরিস্থিতিতে ঈদ যাত্রার বাস ট্রাকের চাপে উত্তরের গেটওয়ে বগুড়ায় মহাসড়কে দেখা দিয়েছে যানজট।