২০ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

তদন্ত চায় রমিজ্জা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কালজয়ী উপন্যাস সংশপ্তক অবলম্বনে নির্মিত ধারাবাহিক নাটকে রমজানের একটি সংলাপ এখনও সবার মনে আছে নিশ্চয়ই। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই নাটকে রমজান বলেছিল, যার এক কান কাটা সে চলে গ্রামের পাশ দিয়ে আর যার দুই কান কাটা সে চলে মাঝখান দিয়ে। কারণ তার আর কান কাটার ভয় নেই। পাকি রমিজ্জার (রমিজ রাজা) অবস্থাও একই। ওর আসলে দুই কানই কাটা। যখনই বাংলাদেশ দল ভাল খেলে তখনই এই রমিজ কিছু না কিছু মন্তব্য করে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ সিরিজ জেতার পর পাকিস্তানের রমিজ্জা তার টুইটার এ্যাকাউন্টে লিখেছেন, “আইসিসি দয়া করে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে তদন্ত করুন। কারণ আমার বিশ্বাস বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে খেলানোর জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছে। সবাই যখন বল ব্যাটের ঝড়ে এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে দেখছে সেখানে রমিজ্জা কি খোঁজে তাই দেখ। বার বার তাদের এই সব উদ্ভট মন্তব্যর প্রতিবাদ করা হলেও সে থেমে থাকে না। কারণ তাতো আসলে দুই কানই কাটা। সারা জীবন পাকিস্তান দলে পাতানো ম্যাচ খেলে এসেছে এই রমিজরা। জীবনে কোন দিন খেলে ম্যাচ জেতেনি পাতিয়ে ম্যাচ জিতেছে। তা না হলে দিনে দিনে কেন তাদের অবনতি হবে। আর অন্যদের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরতে হবে।

সব গুজব.... আশরাফ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সব গুজব আসলেই গুজব হয় না। কোন কোন সময় তা শেষমেশ সত্যও হয়। সম্প্রতি আগেভাগেই খবর বের হয় সৈয়দ আশরাফ দফতর হারাচ্ছেন। আশরাফ এর উত্তরে বললেন, না সব গুজব। যারা এ গুজব ছড়াচ্ছে তারাই বলতে পারবে আসলে কি হলো? কিন্তু শেষে এসে গুজবই সত্যি হয় আশরাফুল ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে। এরপর বরাবর চুপচাপ একটু আড়ালে থাকা আশরাফ সরব হয়ে বললেন, ‘লাভের জন্য আমি রাজনীতি করি না। আমার বাবাও বঙ্গবন্ধুর সাথে বেঈমানি করেননি। বেঈমানি না করে তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন। আমার শরীরেও সেই রক্ত।’ আশরাফ বলেন, “আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেঈমানি করেন নাই। আমি মন্ত্রী হই বা না হই, রাজনীতি করি বা না করি।” এ সময় রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা অব্যাহত রাখার কথা জানান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। পরে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আশরাফ। যদিও বৃহস্পতিার নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাকে। তবে এখন দেখার বিষয় তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতো এখানেও অনুপস্থিত থাকেন কি না।

বিরোধী দল বলাটাই প্রহসন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এটা সকলেই জানে সরকারী দল বা বিরোধী দলেও নেই বিএনপি। জাতীয় সংসদে তাদের কোন প্রতিনিধিত্ব নেই। এখন দলটি গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করে। নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। ফলে সরকারী দলকে তো কোন সময় পছন্দ হয়ই না। এখন তারা বলছে এটা কোন বিরোধী দলও না। জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অর্থবহ মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবিতে ‘নাগরিক সমাবেশ’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ বলছেন, ‘এখন তাই বিরোধী দল বলাটা প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।’ বিএনপির বুদ্ধিজীবী এবং ১০০ জন বুদ্ধিজীবীর নেতা এমাজ উদ্দিন বলেন, বিশ্বের কাছে বর্তমান সরকারের কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন থেকে পিছিয়ে গিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক ও দাতা দেশগুলো। তাই কবে যে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হবে তা বলা মুশকিল। পানি সরবরাহের জন্য রাজধানীতে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। পানি পাব কি না জানি না। দেখা যাবে অর্থটাই অপচয় হয়ে গেল। তিনি বলেন, দেশে কোন আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজ ভূলুণ্ঠিত। প্রকৃত গণতন্ত্র বিকাশের প্রথম সোপান হলো শক্তিশালী বিরোধী দল। কিন্তু বর্তমান শাসকরা তা চায় না। অল কমিউনিটি ফোরাম আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরাম সভাপতি মোঃ আমজাদ উদ্দিন। ‘নাগরিক সমাবেশ’-এর আলোচনায় আর কোন বক্তা ছিলেন না, যতক্ষণ পেরেছেন এমাজউদ্দিনই বলেছেন।