২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতে ১৫ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা, যুবক গ্রেফতার

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক ব্যক্তি গত সাত বছরে অন্তত ১৫ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করার পর গ্রেফতার হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগে ছয় বছরের একটি শিশুও তার শিকার হয়েছে। ২৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম রবিন্দর কুমার। সাউথ দিল্লির বেগমপুর এলাকার ছয় বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। খবর ওয়েবসাইটের।

রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দিল্লি পুলিশের উপ কমিশনার বিক্রমজিৎ সিং বলেন, “১৪ জুলাই বেগমপুর এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারের একটি মেয়ে শিশুর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ আমরা পাই। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের পর ১৬ জুলাই আমরা রবিন্দর কুমারকে গ্রেফতার করি।” “জিজ্ঞাসাবাদে সে অপরাধ স্বীকার করেছে। এছাড়া ২০০৮ সাল থেকে সে আরও অন্তত ১৪টি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলেও জানিয়েছে।” উত্তর প্রদেশের কাসগঞ্জ জেলার বাসিন্দা রবিন্দর দিল্লির কেরালা গ্রামে বাস করত।

ডিসিপি বিক্রমজিৎ বলে, “সম্ভবত রবিন্দর বিকৃত মানসিকতার মানুষ। গ্রেফতারের সময় তার মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল না। যদি প্রয়োজন হয় তবে আমরা তার মস্তিক এবং শারীরিক পরীক্ষা করাব।” এ ধরনের সাতটি ঘটনায় রবিন্দরের জড়িত থাকার প্রমাণ পুলিশ খুঁজে পেয়েছে। “এ ঘটনা আবারও ২০০৫ সালের নিথারি হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৬ সালের নদীয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দিল। সেখানে বেশ কয়েকটি অল্প বয়সী মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তদন্তে সুরিন্দর কলির ঘৃণ্য অপরাধের কাহিনী প্রকাশ পায়।”

জিজ্ঞাসাবাদে রবিন্দর পুলিশকে জানায়, সে ছেলে এবং মেয়ে উভয় শিশুদেরই চকলেট বা টাকার লোভ দেখিয়ে কোন নির্জন স্থানে নিয়ে যেত এবং ধর্ষণের পর হত্যা করত। এরপর সে মৃতদেহগুলো ড্রেনে ফেলে দিত বা মাটিতে পুঁতে ফেলত। একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বেগমপুরের নিখোঁজ শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে সানি নামের এক ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স খুঁজে পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, ওই সময় অন্য একটি মামলায় কানঝাওয়ালা থানায় সানির জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল। সানি জানায়, কয়েকদিন আগে রবিন্দরের সঙ্গে তার ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। রবিন্দর তার মোটররবাইক ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে পালিয়ে যায়।