১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গ্রীসে তিন সপ্তাহ পর ব্যাংক খুলেছে

গ্রীসে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার (বেইল আউট) কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক চলার তিন সপ্তাহ পর সোমবার আবার ব্যাংক খুলেছে। গত ২৯ জুন থেকে পুঁজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি অবশ্য এখনো বলবত রয়েছে। খবর এএফপি ও বিবিসি অনলাইনের।

গ্রীসে সোমবার ব্যাংকগুলো পুনরায় খুললেও কড়াকড়ি রয়েছে। অবশ্য আগে যেমন দৈনিক টাকা তোলার হার ৬০ ইউরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা সপ্তাহে ৪২০ ইউরো করা হয়েছে। বিদেশে পুঁজি স্থানান্তরসহ কয়েকটি অর্থনৈতিক অবরোধ এখনো বজায় রয়েছে। বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্যের ওপর কর বসানো হয়েছে। জার্মানি বলছে, তারা গ্রীসকে প্রয়োজনে আরও অর্থ সহায়তা দিতে পারে। এতদিন গ্রীসের এটিএম বুথগুলোর সামনে ছিল লম্বা ভিড়। এখন এই দুর্ভোগ ও হয়রানি থেকে গ্রীসবাসী কিছুটা রক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ইউরোজোনের অর্থমন্ত্রীরা গ্রীসের ব্যাংকগুলো আপাতত চালু রাখতে জরুরী সাত শ’ কোটি ইউরোর তহবিল দিতে একমত হন।

তৃতীয় দফার বেইল আউট কার্যক্রম চূড়ান্ত অনুমোদনের আগ পর্যন্ত গ্রীসের আর্থিক কার্যক্রম চালু রাখতে এ ঋণের অর্থ ব্যবহৃত হবে।

বিএসএফের ঈদের মিষ্টি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এবার ঈদে মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়নি ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত রক্ষীদের। শনিবার ঈদ-উল-ফিতরে ভারতের সীমান্ত রক্ষাবাহিনী বিএসএফ বরাবরের মতো মিষ্টি পাঠালেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তা ফেরত দেয়া হয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

পাঞ্জাবের ওয়াগা সীমান্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠানো হয়েছিল বলে বাহিনীর ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল এম এফ ফারুকী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রতি ঈদে আমরা তাদের মিষ্টি পাঠাই। এবারও পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু পাকিস্তান রেঞ্জার্স তা গ্রহণ করেনি।” মিষ্টি প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দেশটির দৈনিক ডন বলেছে, ঈদের দিনও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি চালিয়েছে ভারতের সীমান্ত রক্ষীরা। পাঞ্জাব সংলগ্ন জন্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে গত কিছু দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।