১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরিশালে গণধর্ষণের শিকার মাদ্রাসা ছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ জেলার উজিরপুর উপজেলার তারাবাড়ি গ্রামের খালা বাড়িতে বেড়াতে এসে রবিবার বিকেলে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৫) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেছে। উজিরপুর থানার ওসি নুরুল ইসলাম-পিপিএম জানান, ধর্ষিতা ছাত্রীর মা তার এক বছর বয়সে মারা যান। পরবর্তীতে তার বাবা বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠী গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। সেই থেকে ওই ছাত্রী উজিরপুরের মুঙ্গাকাঠী গ্রামের নানাবাড়িতে বড় হয়। তিনি আরও জানান, রবিবার সকালে নানাবাড়ি থেকে ওই ছাত্রী একই উপজেলার তারাবাড়ি গ্রামের তার খালা বাড়িতে বেড়াতে যায়। সন্ধ্যায় তার খালা মাসুদা বেগম জ্ঞানশূন্য অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। ওসি আরও জানান, প্রচ- রক্তক্ষরণ হওয়ায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে চিকিৎসকরা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে পৌঁছে মুমূর্ষু অবস্থায় ধর্ষিতাকে পুলিশ ভ্যানে করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন। শেবাচিমের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ধর্ষিতার অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে সুস্থ হওয়ার পরই বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে তিনি বিষয়টি গণধর্ষণ বলে ধারণা করছেন। তারপরও পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছেন বলেও ওসি উল্লেখ করেন।

রূপগঞ্জে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা রূপগঞ্জ থেকে জানান, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৯ম শ্রেণীর এক স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় শামিম মিয়া নামে ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার হাটাব টেকপাড়া এলাকা থেকে ওই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শামিম মিয়া ওই এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে। রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মুরাদ আলী জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঈদের দিন দুপুরে মাইক্রোবাসযোগে ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে নিয়ে যায় শামীম মিয়াসহ তার সহযোগীরা। এরপর রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাটাব টেকপাড়া এলাকার এক বাড়িতে ধর্ষণ করা হয়। পরে স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।