২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাতক্ষীরায় পানিবন্দী ৭৬ পরিবার ॥ তলিয়ে গেছে বীজতলা

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ॥ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পশ্চিমপাড়ার বিল। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এ বিলে বসবাসরত ৭৬টি পরিবার ও এ অঞ্চলের রাস্তাঘাট। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। সঙ্কট দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির। ডুবে থাকায় নষ্ট হয়েছে ৬০ টির মতো বীজতলা। দু’সপ্তাহ ধরে এ অবস্থা চলতে থাকায় পানি বিষাক্ত হয়ে চুলকানি-পাঁচড়াসহ পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার সকালে ইটাগাছা পশ্চিমপাড়া বিলে গিয়ে দেখা গেছে, কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি। রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় অনেকেই ককশিটের ভেলা তৈরি করে যাতায়াত করছে। আবার অনেকেই গামছা পরে ডাঙায় উঠে পোশাক পাল্টে গন্তব্যে যাচ্ছে। বেশ কিছু বাড়ির বারান্দায় পানি উঠেছে। কাঁচা পায়খানার মলমূত্র ভাসছে।

ইটাগাছা পশ্চিমপাড়া বিলের বাসিন্দা আলী আজম খান ডাবলু জানান, ঈদের কয়েকদিন আগে টানা বৃষ্টিতে তার বসতঘরের বারান্দায় পানি উঠেছে। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। বাড়ির টিউব অয়েলের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। কৃষকদের কমপক্ষে ৬০টি বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। শহরে যেতে গেলে ককশিটের ভেলাই একমাত্র ভরসা। এ ছাড়া পানি বিষাক্ত হয়ে তার ছেলে ও স্ত্রীর গায়ে চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কল্যাণী সরকার জানান, বারান্দায় জল ওঠায় রান্না বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন অন্য জায়গা থেকে রান্না খাবার ও জল নিয়ে এসে জীবন বাঁচাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে উঁচু টঙ বেঁধে মলমূত্র ত্যাগ করতে হচ্ছে।

নীলফামারীতে জামায়াত নতার তা-ব

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ জায়গাজমির বিরোধে রবিবার সন্ধ্যায় নীলফামারীর ডিমলা সদর ইউনিয়নে কুমারপাড়া গ্রামে জামায়াত শিবিরের হামলা ও তা-বে তিন আওয়ামী লীগ কর্মী পরিবারের বসতভিটা লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় জামায়াত-শিবির কর্মীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে ওইসব পরিবারের নারীসহ ১০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে সোমবার দুপুরে ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিমলা সদর ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী নুর বখত ও নেতা ফজলুল হকের দীর্ঘদিন থেকে জমিজমা বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। রবিবার দুপুরে জামায়াত নেতা ফজলুল হকের লোকজন নুর বখতের জমিতে লাগানো আমন ধানের চারা তুলে ফেলে দেয়। এর পর রাত আটটার দিকে জামায়াত নেতা ফজলুল হক ও তার লোকজন নুর বখতসহ তিনটি পরিবারের বাড়িতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় নুর বখতের ছোট ভাই অহিদুল ইসলামের ৩০মণ ধান ও ২০মণ চাল, আমিনুর রহমানের ৩৫মণ ধান ও ১৫মণ চাল, তার পিতা ইসলাম উদ্দিনের ৪টি গরু, ৬টি ছাগল লুট করা হয়। এ সময় আহত হয় ওই তিন পরিবারের ১০ জন। এদের মধ্যে অহিদুল ইসলামের মেয়ে লাকি আক্তারের অবস্থা গুরুতর।