২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রহনপুর রেল বন্দর দিয়ে নেপালে সার যাচ্ছে

ডি.এম তালেবুন নবী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেল বন্দর রহনপুর আবার ব্যবহার শুরু“ করেছে নেপাল। প্রায় দু’বছর বন্ধ থাকার পর আবার সরগরম হয়ে উঠেছে রহনপুর রেল বন্দর। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছর থেকেই রহনপুর রেল বন্দর হয়ে ভারতীয় পণ্য আমদানি শুরু হয়। ১৫ কিলোমিটার রেল পথ সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় ভারত তাই এই পথ ব্যবহারে অপারগতা প্রকাশ করে। বন্ধ হয়ে যায় আমদানি। সংস্কারের পর ২০১২ সালে পুনরায় রেলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। নেপাল বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা রাসায়নিক সার নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রথম রহনপুর রেলবন্দর হয়ে ও ভারতের করিডর ব্যবহার করে। এর পর প্রায় দু’ বছর এ বন্দর ব্যবহার করেনি। হঠাৎ করেই আবার নেপাল রহনপুর রেলবন্দর হয়ে ভারতের মধ্য দিয়ে রাসায়নিক সার নিয়ে যাওয়া শুরু করেছে। জুলাই মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে দুই বারে চীন থেকে আমদানিকৃত রাসায়নিক সার ভারত হয়ে নেপালে পরিবহন শুরু করেছে।

রহনপুর রেলবন্দর স্টেশনের মাস্টার শহীদুল্লাহ মিঞা জনকণ্ঠকে বলেন, প্রথম চালানে আড়াই হাজার টন সার আসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। পরবর্তী আড়াই হাজার টন আসে মঙ্গলা বন্দর দিয়ে। শেষ চালানটি ১০ জুলাই শুক্রবার রহনপুর রেল বন্দরে পৌঁছে। রহনপুর বন্দর প্রয়োজনীয় কাজ সেরে কাগজপত্র রেল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়।

রেল সূত্র হতে জানা গেছে, সারের প্রথম চালান ৬ জুলাই নেপালে পৌঁছেছে। পাঁচ হাজার মেট্রিক টনের অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন সার রহনপুর বন্দর হয়ে নেপাল যাবে খুব শীঘ্রই। নেপাল সার পরিবহনে ভারতীয় ৬টি র‌্যাক ব্যবহার করছে। জানা গেছে ভবিষ্যতে খাদ্যসহ অন্যান্য বিদেশী আমদানি করা পণ্য নেপাল নিয়ে যাবার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ভারতের করিডর ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিয়ে রেখেছে রহনপুর ও ভারতের সিঙ্গাবাদ রেল বন্দরকে।

প্রসঙ্গত, ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে রেলপথে রহনপুর বন্দর হয়ে পাথর, চাল, গম, ভুট্টা ও পোল্ট্রি ফুড আমদানি করে থাকে। বঙ্গবন্ধ সেতু ও লালন শাহ সেতুর সিংহভাগ পাথর এই পথে আনা হয়েছিল। এখন বিহারের পাকুড় থেকে পদ্মা সেতুর জন্য প্রয়োজনীয় পাথর রেলপথে রহনপুর হয়ে আসছে। ব্যবসায়ীরা রেলপথে আমদানিতে অধিক আগ্রহী হবার অন্যতম কারণ পরিবহন খরচ কম ও পণ্য নষ্ট হবার পরিমাণ একেবারে শূন্য।

নির্বাচিত সংবাদ