২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নাটোরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর ॥ জেলার লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের বাড়িতে সোমবার রাতে সালিশ চলাকালে মোয়াজ্জেম হোসেন (৪৫) নামের এক সার ব্যবসায়ী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন ময়না গ্রামের শফিউদ্দিন প্রামানিকের পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওয়ালিয়া বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী ২ সন্তানের জনক মোয়াজ্জেম হোসেন ও জনৈক সেনাকর্মকর্তার (মেজর) স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী কেয়া খাতুন(৩৫) পরকীয়া প্রেমে জের ধরে প্রায় তিন মাস আগে পুরাতন ঢাকার এক কাজি অফিসে গিয়ে উভয়ে বিবাহ করেন। সেখানে বিয়ের কাবিন নামায় মোয়াজ্জেম হোসেন তার নিজের বাবা-মা’র নাম এবং প্রকৃত ঠিকানা গোপন করেন। প্রায় তিন মাস পর কেয়া খাতুন বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের কাছে নালিশ করেন। এ নিয়ে সোমবার রাতে ওয়ালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের বাড়িতে মোয়াজ্জেম হোসেনের পিতা শফিউদ্দিন প্রামানিক, ওয়ালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আনিছুর রহমান সহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজনের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠক বসে। সালিশে মোয়াজ্জেম হোসেন কেয়া খাতুনকে বিয়ে করে সংসার করার কথা স্বীকার করেন। বিয়ের কাবিন নামায় ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করায় পুনরায় কাবিন নামা করার সিদ্ধান্ত হয়। সালিশের এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে কথা বলার নাম করে বাইরে গিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন কীটনাশক ওষুধ পান করেন। বিষয়টি উপস্থিত লোকজনেরা জানতে পেরে তাকে বনপাড়ার একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন।

এব্যাপারে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাই তালুকদার জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতির জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি না মিললে লাশ ময়না তদন্তে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।