২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুর শীর্ষ সহকারী গ্রেফতার

  • ঘুষ ও যৌন অসদাচরণের অভিযোগ

চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওয়ের শীর্ষ এক সহকারী লিং জিহুয়াকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের পর তাকে কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বহিষ্কার এবং সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়া এবং যৌন অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জিনহুয়া এ খবর জানিয়েছে। খবর বিবিসির।

চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধেী কঠোর অভিযানের সময় লিংকে গ্রেফতার করা হলো। তার ছেলে বেজিং ফেরারি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার খবর প্রকাশের পর ২০১২ সালে তার পদাবনতি হয়। দেশটির ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশিত বিবৃতির উদ্বৃতি দিয়ে জিনহুয়া জানিয়েছে, লিং রাজনৈতিক শৃঙ্খলা এবং সিপিসির (কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না) নিয়মনীতি গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করেছেন। তিনি অন্যদের লাভের জন্য নিজের পদের সুবিধা নিয়েছেন এবং নিজে ব্যক্তিগতভাবে ও পরিবারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। রিপোর্টে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, লিং তার অবস্থান কাজে লাগিয়ে ব্যভিচারে লিপ্ত হন এবং তার স্ত্রীর ব্যবসায়ের সুবিধার জন্যও ক্ষমতা কাজে লাগিয়েছেন। কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগও আনা হতে পারে। কারণ তাদের সমাজের সৎ মানুষ হিসেবে মনে করা হয়। তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হলেও মামলা হয়নি। চীনের প্রেসিডেন্ট কয়েকজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করছেন। এদের মধ্যে সাবেক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান ঝৌ ইয়ংক্যাংকে (৭২) গত মাসে এক গোপন বিচারে যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়েছে। গত বছর সাবেক শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তা লিউ তিয়েনানকে কোটি কোটি ডলার ঘুষ নেয়ার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়।

ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৫ গুণ বেশি

ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনায় ১৫ গুণের বেশি মানুষ মারা যায়। মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনার মধ্যে রেল বা সড়ক দুর্ঘটনা মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় পানিতে ডুবে ও অগ্নিকা-ে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) সাম্প্রতিক ডাটায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

এনসিআরবি বলেছে, ২০১৪ সালে ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ২০ হাজার লোক মারা গেছে। মানুষের ভুল বা ত্রুটির কারণে ঘটা দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ৮২৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৭০ হাজার মারা গেছেন সড়ক দুর্ঘটনায়, ৩০ হাজার মানুষ মারা গেছেন পানিতে ডুবে এবং অগ্নিকা-ে মারা গেছে ২০ হাজার মানুষ। এনসিআরবি অস্বাভাবিক মৃত্যুকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। এর মধ্যে একটি হলো মানুষের সৃষ্ট। অপরটি হলো হৃদরোগ, গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা, পশুর হামলায় মৃত্যু। গত ১০ বছরে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনা ২২ শতাংশ হারে বেড়েছে। মানুষের সৃষ্ট দুর্ঘটনায় ২০০৪ সাল পর্যন্ত মৃত্যুর হার বেড়েছে ৬৬ শতাংশ।

প্রতি বছর মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এনসিআরবির তথ্য অনুসারে, দুর্ঘটনায় প্রতি বছর মৃত্যুর হার বাড়ছে। ২০০৪ সালে প্রতি এক লাখে দুর্ঘটনায় মারা যেত ২৫ জন। ২০১৪ সালে তা বেড়ে ৩৬ জনে পৌঁছেছে। এই তথ্য ভারতের সরকারের জন্য উদ্বেগজনক।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া