১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আবারও বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হাফিজ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অবৈধ বোলিংয়ের দায়ে ফের নিষিদ্ধ হলেন মোহাম্মদ হাফিজ। ত্রুটিপূর্ণ এ্যাকশনের জন্য ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা পাওয়া পাকিস্তানী এ তারকা আগামী এক বছর বোলিং করতে পারবেন না। তবে এ সময় খেলতে পারবেন কেবল ব্যাটসম্যান হিসেবে। গত নবেম্বরে প্রথম এ্যাকশনের জন্য নিষিদ্ধ হন হাফিজ, ছিলেন না বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে। বাংলাদেশে বল হাতে ফিরে আসার পর প্রতিনিধিত্ব করেন ঘরের মাটিতে জিম্বাবুইয়ে সিরিজে। চলতি শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট ম্যাচে ফের তার এ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ভারতে আইসিসির গবেষণাগারে পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হলেন, নিয়মানুযায়ী দ্বিতীয়বার এ্যাকশন অবৈধ বলে প্রমাণিত হলে কমপক্ষে এক বছর নিষিদ্ধ হতে হয়, সেই খারাতেই পড়লেন ৩৪ বছর বয়সী পাঞ্জাব তারকা।

নিষেধাজ্ঞার এক বছর কাটানোর পর আইসিসির কাছে আবার শুধরানো এ্যাকশনে পুনরায় পরীক্ষা দিতে পারাবেন হাফিজ। গত মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের সময় হাফিজের বোলিং এ্যাকশন অবৈধ বলে ফের প্রশ্ন তোলেন আম্পায়ার। ৬ জুলাই চেন্নাইয়ে তার এ্যাকশনের পরীক্ষা নেয়া হয়। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী একজন বোলার ১৫ ডিগ্রী পর্যন্ত কনুই বাঁকা করতে পারেন। কিন্তু হাফিজের ক্ষেত্রে তা অনেক বেশি বলে ধরা পড়ে। ‘দুই বছরের মধ্যে এটা দ্বিতীয় রিপোর্ট। সে কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে ১২ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হলো। এই সময় পার হওয়ার পর হাফিজ আবার পরীক্ষা করার জন্য আবেদন করতে পারবে।’ বিবৃতিতে উল্লেখ করে আইসিসি। এর আগে আবুধাবিতে গত বছরের নবেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে প্রথমবারের মতো হাফিজের বোলিং এ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ডিসেম্বরে অফিসিয়াল পরীক্ষায় বোলিং এ্যাকশন অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বোলিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আইসিসি। এ বছরের এপ্রিলের ২১ তারিখে আইসিসি থেকে বোলিংয়ের ছাড়পত্র পান। বল হাতে ফেরেন বাংলাদেশ সফরে। এরপর ভালই বোলিং করেছেন এই ডানহাতি স্পিনার। শ্রীলঙ্কা সফরে এ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শেষ টেস্টে খেলতে পারেননি। সে সময় ভারতের চেন্নাইয়ে অংশ নেন পরীক্ষায়। সেই পরীক্ষার ফল বের হওয়ার আগে ডাম্বুলায় প্রথম ম্যাচে অবশ্য ৬ উইকেটের বিশাল জয়ে এগিয়ে যায় পাকিস্তান। ওই ম্যাচে বল হাতে ৪ উইকেট নেয়ার পর ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ম্যাচসেরা হন হাফিজ। সেটি ১১ তারিখের ঘটনা। কিন্তু ১৭ জুলাই পুনরায় নিষিদ্ধ হওয়ায় তৃতীয় ম্যাচে বোলিং করতে পারেননি। সেদিন ব্যাট হাতে খেলেন ৫৪ রানের কার্যকর ইনিংস। নিয়ম অনুযায়ী বোলিংয়ের সময় কোন বোলারের হাতের কনুই ১৫ ডিগ্রীর বেশি বাঁকা হলে এ্যাকশন অবৈধ বলে বিবেচিত হয়। একই কারণে দীর্ঘ সময় নিষিদ্ধ ছিলেন অপর পাকিস্তানী তারকা স্পিনার সাঈদ আজমলও।