১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কারাগারে বিএনপি নেতাদের নিরাপত্তা চাই ॥ রিপন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কারাগারে অবস্থান করা বিএনপি নেতাদের নিরাপত্তা নেই বলে অভিযোগ করে বিএনপির মুখপাত্র ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, আমরা সরকারের কাছে তাদের নিরাপত্তা চাই। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গড়তে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে বিএনপির বক্তব্যের কোন পার্থক্য নেই। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সৈয়দ আশরাফের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে আসাদুজ্জামান রিপন প্রশাসনের ওএসডি কর্মকর্তাদের ফেরাতে একটি কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে কোন সিনিয়র ও হাইপ্রোফাইল নেতা মন্ত্রী ছিলেন না। এই প্রথম কোন হাইপ্রোফাইল নেতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়রে দায়িত্ব নিলেন। সৈয়দ আশরাফ এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ায় প্রশাসন দলীয় প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ থাকবে এটাই কাম্য। কারণ, এ বিষয়ে সৈয়দ আশরাফ ও আমাদের মনোভাব এক।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আশা করি প্রশাসনের দক্ষ, সৎ ও যোগ্য যেসব কর্মকর্তাকে ওএসডি করে রাখা হয়েেছ তাদের ফিরিয়ে আনতে সৈয়দ আশরাফ একটি কমটি গঠন করবেন। আমরা আরও আশা করি তিনি তার কাজের মাধ্যমে কথা রাখবেন। ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসানকে গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, তাকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েেছ তা উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক। এটা বিরাজনীতিকরণেরও একটি অংশ। আগামীতে যদি বিএনপির ষাটোর্ধ নেতাদের বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের মামলা দেয়া হয় তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। গণতন্ত্রের স্বার্থে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এহেন আচরণ বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আওয়ামী লীগকেও একদিন মাসুল দিতে হবে। কারণ, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।

ঈদের দিন হবিগঞ্জের কারাগারে বিএনপি নেতা জি কে গউছের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে রিপন বলেন, বিএনপি নেতারা আগে থেকেই রাজপথ, ঘর ও কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীন ছিলেন। এখন কারাগারেও তাদের নিরাপত্তা নেই। তাই জি কে গউছের ওপর হামলার ঘটনায় সারা দেশের কারাগারে আটক বিএনপি নেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের সাধারণ মানুষও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তাই আমরা এ অবস্থার অবসান চাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হায়দার আলী, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ।