১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাগেরহাটে ২০ গ্রাম প্লাবনের আশঙ্কা

  • বেড়িবাঁধ ধস

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ সিডর ও আইলা বিধ্বস্ত বাগেরহাটের শরণখোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারের তাফালবাড়ি লঞ্চঘাট এলাকার বেড়িবাঁধের একটি অংশ ধসে পড়েছে। ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরী ব্যবস্থা না নেয়া হলে যে কোন মুহূর্তে বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ বাকি অংশ ভেঙে সাউথখালী ও রায়েন্দা দুই ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

রবিবার রাতে জোয়ারের পানির চাপে ওই এলাকার প্রায় পাঁচশ’ মিটার বেড়িবাঁধ ধসে পড়ে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে যে কোন মুহূর্তে বাকি অংশ ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই এলাকার মানুষের মাঝে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই অবস্থায় আতংকিত হয়ে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ও চাল রায়েন্দা গ্রামের আঃ হালিম শেখ, আঃ সবুর আকন, মহিদুল ইসলাম, আঃ হক, লিটন, দুলাল, জাকির ঘরামি, আনোয়ার ও রুবেল হাওলাদারসহ ২০টি পরিবার গত দুদিনের ব্যবধানে ঘর বাড়ি ফেলে প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। বেড়িবাঁধ সংলগ্ন চাল রায়েন্দা গ্রামের বাসিন্দা আঃ জলিল হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন, ইউসুফ মৃধাসহ অনেকে বলেন, ‘সিডরের পর বাঁধ মেরামতের কাজ দেইখ্যা অনেক খুশি অইছিলাম। কিন্তু কাজ শ্যাষ ওইতে না ওইতেই যেভাবে ভাঙ্গন শুরু ওইছে, হ্যাতে রাইতের ঘুম হারাম ওইয়া গ্যাছে।

কোন সময় যানি বাঁধ সম্পূর্ণ ভাঙ্গা মোগো সবকিছু সিডরের মতো ভাসাইয়া লইয়া যায়। মোগো তো আর কোনোহানে যাওয়ার জায়গা নাই’।

ভুতুড়ে বিলের শিকার শত শত গ্রাহক

পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ২১ জুলাই ॥ পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ কাশিনাথপুর অফিস জুন মাসের ভুতুড়ে বিল দেয়ায় শত শত গ্রাহক হয়রানি ও আার্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, বিদ্যুত গ্রাহকদের জুন মাসের বিল পূর্ব মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ধরা হয়েছে। সাঁথিয়া পৌর এলাকার গ্রাহক পান্নু হোসেন প্রতিমাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা বিদ্যুত বিল দিলেও জুন মাসে ৫ হাজার টাকা বিল দেয়া হয়েছে। একই উপজেলায় বিষ্ণুবাড়িয়া গ্রামের হযরত আলীর মিটারে ২৩ জুন বিদ্যুত ব্যবহার দেখানো হয় ১৯ হাজার ৬শ’ ৮০ ইউনিট। পূর্ববর্তী মাসে যা ছিল ১৯ হাজার ২৬০ ইউনিট। এ হিসাবে জুন মাসের বিল দেখানো হয়েছে ৪২০ ইউনিট। ২৩ জুন ৬৮০ ইউনিট বিল থাকলেও ১৫ দিন পরে মিটার রিডিংয়ে দেখা যায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে ৬৫৬ ইউনিট। যা বিল তৈরির ১৫ দিন ব্যবহার হওয়ার পরেও বিলের রিডিং থেকে ২৪ ইউনিট কম রয়েছে। একই গ্রামের নূর হোসেন রওশন আলীসহ শত শত বিদ্যুত গ্রাহকের বিল দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে। এসব গ্রাহক পল্লী বিদ্যুত অফিসে দেখা করলে কারো কারো সামান্য ইউনিট কমিয়ে বিল পরিশোধের কথা বলা হচ্ছে। আবার অনেক গ্রাহককে ইউনিট না কমিয়ে বিল পরিশোধের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২’র জিএম প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিটার রিডারদের ভুলের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রাহকরা অভিযোগ নিয়ে এলে ঠিক করে দেয়া হচ্ছে। তবে আগামী মাসের বিলের সঙ্গে সব ঠিক করা হবে বলেও তিনি জানান।