১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ময়মনসিংহে ১৯ দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক চান মিয়া

  • আট বছরের শিশু ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ॥ ত্রিশালের বনপাথালিয়া গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী আট বছরের শিশুকন্যা ধর্ষণ ঘটনায় পুলিশ ১৯ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি ধর্ষক চাঁন মিয়াকে। গত ২ জুলাই রাতে ধর্ষণ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষিতার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থানা পুলিশ ও হাসপাতালে যেতে দেয়নি চাঁন মিয়ার পরিবার। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মারাত্মক রক্তক্ষরণ নিয়ে ৫ জুলাই ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ভর্তি হয় ধর্ষিত শিশু। এর পর থেকে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ধর্ষিতার পরিবার জানায়, গত ২ জুলাই রাতে প্রস্রাব করতে বাইরে গেলে প্রতিবেশী আনারুল হক ওরফে কালুর বখাটে পুত্র এক সন্তানের জনক চাঁন মিয়া শিশুর মুখ চেপে ধরে গোয়ালঘরের পাশে নিয়ে ধর্ষণ শেষে পালিয়ে যায়। শিশুর চিৎকার শুনে তার মা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসার পর নালিশ করেছিল চাঁন মিয়ার বাবা কালুর কাছে। উল্টো শিশুটির মাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় কালু। একই সঙ্গে ধর্ষিত শিশুর রক্তাক্ত প্যান্ট ও জামাকাপড়ে থাকা আলামত নষ্ট করে ফেলে কালু। শিশুর রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তিন দিন পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ভর্তি করা হয় ময়মনসিংহ মেডিক্যালে। আর ভয়ভীতি উপেক্ষা করে থানায় মামলা দায়ের করা হয় ১২ জুলাই। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফজলুল হক জানান, ধর্ষণ ঘটনার আলামত নষ্ট এবং ধর্ষিতার পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মঙ্গলবার চাঁন মিয়ার বাবা আনারুল হক ওরফে কালুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে দাওয়াত ভিত্তিক অনুষ্ঠান

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেছেন, পবিত্র কোরান ও সুন্নাহর আলোকে দীনি শিক্ষার কারিক্যুলাম পুনর্বিন্যাস করে ওহীর মাধ্যমে আরবীতে প্রাপ্ত পবিত্র কোরান ও সিয়াহ সিত্তাহ কিতাব অধ্যয়নের মাধ্যমে ইলম ও আলেমওয়ালা আলেম তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে দাওয়াতভিত্তিক অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট জেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, দেশের খ্যাতিমান ইমাম, আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। -বিজ্ঞপ্তি।