২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশে অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন

  • ৩ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণ

বিডিনিউজ ॥ অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য ভারতের আদালতে সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে, যদিও এই বিএনপি নেতা নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় বুধবার মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের আদালতে এই বিএনপি নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

ঢাকা থেকে উধাও হওয়ার দুই মাস পর গত মে মাসে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর সন্ধান মিলেছিল মেঘালয়ে। তখন তিনি দাবি করেন, তাকে বাংলাদেশ থেকে অপরহন করা হয়েছিল। অভিযোগ গঠনের শুনানির আগে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘কোর্ট যে রায় দিক, আমি আমার দেশে ফিরে যেতে চাই।’

বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে ঢোকার অভিযোগে ফরেনার্স এ্যাক্টের ১৪ ধারায় এই মামলা হয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে।

ভারতের পাসপোর্ট আইনে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলার সাত সাক্ষী ইতোমধ্যে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন।

ওই আদালতের পিপি আইসি ঝা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, বিএনপির এই নেতা অনুপ্রবেশের অভিযোগ স্বীকার করে নিলে বিচারক বুধবারই রায় জানিয়ে দিতে পারেন। তবে আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে সালাহউদ্দিন নিজের ইচ্ছায় ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের কথা স্বীকার করেননি।

অভিযোগ গঠনের পর আইসি ঝা বলেন, আদালত তিন থেকে চার দিনের শুনানির পরই রায় দিতে পারে।

গত ১১ মে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে হদিস মেলার পর আটক হয়ে কিছু দিন কারা হেফাজতে হাসপাতালে ছিলেন সালাহউদ্দিন। স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে পরে তাকে জামিন দেয় আদালত।

এরপর মেঘালয় পুলিশ গত ৩ জুন সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে এই মামলায় অভিযোগপত্র দেয়। তার ভিত্তিতে বুধবার অভিযোগ গঠনের শুনানি হয় মেঘালয়ের বিচারিক হাকিম কেএমএল নংব্রির আদালতে। শুনানির জন্য সালাহউদ্দিন তার আইনজীবীকে নিয়ে সকালে জেলা দায়রা আদালতে এলে সেখানেই তার সঙ্গে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কথা হয়।

সালাহউদ্দিন বলেন, তার শরীরের অবস্থা এখন ‘ভাল’। আর দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তার ‘কাউকে ভয় পাওয়ারও কিছু’ নেই।

আদালতের বাইরে এক আত্মীয়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে এক কাপ চা খাওয়ার পর ভেতরে ঢুকে যান সালাহউদ্দিন। ৫৪ বছর বয়সী সালাহউদ্দিনের দাবি, অচেনা এক দল লোক ঢাকার এক বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়েছিল। এরপর আর কিছুই তিনি মনে করতে পারেন না। শিলংয়ে খোঁজ মেলার পর আচরণ অসংলগ্ন মনে হওয়ায় বাংলাদেশের সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে প্রথমে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করেছিল পুলিশ।

নির্বাচিত সংবাদ