২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

হাসপাতালে অপ্রয়োজনে যন্ত্রপাতি কিনলে শাস্তি ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকারী হাসপাতালে অপ্রয়োজনে যন্ত্রপাতি ক্রয় করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, সরকারী নীতিমালা সম্পূর্ণ মেনে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নীতিমালার বাইরে কিছু করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। যন্ত্রপাতি ক্রয় করে সাজিয়ে রাখা যাবে না। দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবার কাজে সেগুলো যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যন্ত্রপাতি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের কমিটির অনুমোদন নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে থাকার জন্য সকলকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতিত্বকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী একথা বলেন। বর্তমান অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার নিরূপণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মন্জুুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নূরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ নূর হোসেন তালুকদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য লাইটারিং ব্যাহত, বহির্নোঙ্গরে জাহাজ জট

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ ভারি বর্ষণ ও ঝড় হাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙ্গরে পণ্য লাইটারিং বিঘিœত হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে জাহাজ জট। বহির্নোঙ্গরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী ভেসেল। বুধবারও অপেক্ষায় থাকে ৬০টির অধিক জাহাজ। তবে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বহির্নোঙ্গরে অপেক্ষমাণ জাহাজগুলোর মধ্যে প্রায় ২০টি জাহাজ জেটিতে ভিড়তে প্রস্তুত হয়ে আছে। কিন্তু কয়েকদিনের অব্যাহত বর্ষণে পণ্য খালাস ব্যাহত হওয়ায় বহির্নোঙ্গর ও কুতুবদিয়ার কাছাকাছি এলাকায় ভাসমান জাহাজগুলোর অবস্থানকাল দীর্ঘ হয়েছে। পণ্য লাইটারিং বন্ধ থাকায় এ প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়েছে জাহাজগুলোকে। ওইসব জাহাজে রয়েছে খাদ্যদ্রব্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, ভোজ্যতেল ও শিল্পের কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এমন জাহাজের সংখ্যা ৬০টির অধিক। বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে কন্টেনার উঠা-নামার কাজ চললেও এক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হচ্ছে ধীরগতি।

বন্দরে পণ্য খালাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেসরকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃষ্টি এবং বাতাস থাকায় বহির্নোঙ্গরে লাইটার জাহাজ নিয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য। ছোট লাইটার জাহাজগুলোকে বড় জাহাজের পাশাপাশি রাখাই দুরূহ।