২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কালো টাকা সাদা করতে জোরেশোরে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত। এর অংশ হিসেবে বিদেশে থাকা বেআইনি সম্পত্তি ও কালো টাকা সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে জানানোর ব্যবস্থা করেছে দেশটির আয়কর দফতর।

এক কর্মকর্তা জানান, ওয়েবসাইটে একটি ‘লিঙ্ক’ দেয়া হয়েছে। সেখানে ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে।

কেন্দ্রের নতুন আইন অনুযায়ী, বিদেশে থাকা সম্পত্তি ও কালো টাকা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এককালীন সুযোগ দেয়া হবে। যারা তা প্রকাশ করবেন, তাদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই সম্পত্তি ও আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর এবং ৩০ শতাংশ জরিমানা দিতে হবে।

কিন্তু সময়ে না-জানালে কড়া ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র। সে ক্ষেত্রে অঘোষিত সম্পত্তি ও আয়ের ওপর ১২০ শতাংশ কর দিতে হবে। হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদ-ও।

তবে বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, এই আইন স্বচ্ছ নয়। আইনি পরামর্শদাতাদের অনেকেই মনে করছেন, এ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সব সময় পাওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়া সম্পত্তি ও আয়ের মূল্যায়নের বিষয়টিও অস্পষ্ট। যেমন, কলকাতার খেতান এ্যান্ড কোম্পানির সিনিয়র পার্টনার এন জি খেতানের বক্তব্য, ১৯৭০ ও তার পরে দেশে করের সর্বোচ্চ হার ৭০ শতাংশ থেকে বাড়তে বাড়তে ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছিল। ফলে অনেকে আইনি পথে আয় করলেও চড়া কর এড়াতে বিদেশে লগ্নি করেন। কিন্তু অনেকে আবার বেআইনিভাবে আয়ের টাকাতেও করফাঁকি দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, দু’পক্ষকেই এক সারিতে বসানো হবে কেন?

যেসব এ্যাকাউন্ট অনেক আগেই বন্ধ হয়েছে সেগুলোর হদিস কী করে মিলবে, তা নিয়েও প্রশ্নও তুলছেন তারা। আইনে প্রথম থেকে সম্পত্তির হিসাব দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু খেতানের দাবি, বিশ্বে বেশিরভাগ জায়গাতেই এ্যাকাউন্টের হিসাব ৭ বছরের বেশি থাকে না। এসব বিষয় স্পষ্ট না হলে এই আইনের সুফল আদৌ কতটা মিলবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

লোকসানে বিআইএফসি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে লোকসান গুনেছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২১ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি ’১৫ থেকে মার্চ ’১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিআইএফসির করপরবর্তী লোকসান হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২১ পয়সা।

আগের বছর একই প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ৩৭ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ পয়সা। সেই হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কোম্পানির আয় কমেছে ৬২৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের ৩১ মার্চের হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।