১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জনবল সঙ্কটে ঝিমিয়ে পড়েছে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ জনবল সঙ্কটে নীলফামারী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জননিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্য সেবার কার্যক্রম মুখথুবড়ে পড়েছে। ফলে মাঠ পর্যায়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নীলফামারীর ছয় উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ক্লিনিক্যাল বিভাগে মেডিক্যাল অফিসারের (এমসিএইচ-এফপি) ১১টি পদ থাকলেও বর্তমানে সৈয়দপুর উপজেলায় মাত্র একজন মেডিক্যাল অফিসার কর্মরত রয়েছেন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিত করতে মেডিক্যাল অফিসাররা স্ব-স্ব দফতরে বসে দাপ্তরিক কাজ এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। দীর্ঘদিন এসব গুরত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। সম্প্রতি অবসরে যাওয়া মেডিক্যাল অফিসারদের মাধ্যমে জোড়াতালি দিয়ে একদিন স্থায়ী পদ্ধতি ও ইমপ্লানোন পদ্ধতির সেবা প্রদানসহ অন্যান্য সেবা প্রদান করা হলেও বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামের দম্পতিরা পদ্ধতি গ্রহণের পরবর্তীতে শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হলেও তারা চিকিৎসক অভাবে সেবা পাচ্ছেন না। বছরের বিভিন্ন সময় সরকারের দেয়া সেবামূলক কর্মসূচীগুলো মেডিক্যাল অফিসারের অভাবে দায়সারাভাবে পালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরদিকে, জেলা শহরে মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রে এ্যানাসথিয়ান না থাকায় সিজার কার্যক্রম প্রায় আট মাস ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে সরকারের বিনামূল্যের এ সেবা থেকেও বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠী।

এ ছাড়া উপ-পরিচালক, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারসহ অনুমোদিত ৫২টি পদের ৩২টি পদ ও ফার্মাসিস্টের অনুমোদিত ৫২টি পদের ৫০টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। চিকিৎসক না হয়েও মেডিক্যাল অফিসারের শূন্য পদে দায়িত্ব পালন করছে স্ব-স্ব উপজেলার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। গত ৭ বছরের অধিক সময় ধরে একজন সহকারী পরিচালক (সিসি) নীলফামারী উপ-পরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ পদটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আফরোজা বেগম জানান, প্রতিটি শূন্যপদ পুরণে মন্ত্রণালয়ে বারবার চিঠি দেয়া হয়েছে।