২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তিন জেলায় ৪ খুন

  • অন্যত্র পাঁচ লাশ উদ্ধার

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কেয়ারটেকার, রংপুরে যুবক ও গৃহবধূ এবং যশোরে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জে গৃহবধূ ও যুবক, চট্টগ্রামে যুবক, ফরিদপুরে ভ্যানচালক এবং সাভারে পোশাক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের।

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) ॥ সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে মোঃ সিরাজুল ইসলাম পাঠান (৬০) নামে এক নির্মাণাধীন বাড়ির কেয়ারটেকারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। হত্যার পর চাঁদাবাজরা বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে।

রংপুর ॥ জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের আঘাতে খুন হয়েছে লিটন নামের এক যুবক। অন্যদিকে যৌতুকের টাকা না পেয়ে পাষ- স্বামী স্ত্রীকে খুন করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে খুনের এ ঘটনা দুটি ঘটেছে তারাগঞ্জ ও কাউনিয়া উপজেলায়।

যশোর ॥ বাঘারপাড়ায় জবা বিশ্বাস (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ ॥ পৃথক ঘটনায় বাজিতপুর উপজেলার রাবারকান্দি থেকে বন্যা আক্তার (২৭) নামে গৃহবধূর বস্তাবন্দী লাশ ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় বনভোজনে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ রমজান (১৮) নামে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ॥ নগরীর বাকলিয়া থানার কর্ণফুলী সেতুর নিচ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাকলিয়া থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

ফরিদপুর ॥ আলফাডাঙ্গায় নিখোঁজের ১৬ দিন পর হেদায়েত মোল্লা (২০) নামে এক তরুণ ভ্যানচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সাভার ॥ আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকার রূপায়ন মাঠ সংলগ্ন মকবুল খন্দকারের বাউন্ডারির ভেতরে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে এক পোশাক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মীরসরাইয়ে পানিবন্দী পাঁচ শতাধিক পরিবার

চট্টগ্রাম অফিস/মীরসরাই সংবাদদাতা ॥ চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ওছমানপুর ও ইছাখালী ইউনিয়নে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দুটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবার। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে অনেক পরিবার। মৎস্য প্রকল্প তলিয়ে ভেসে গেছে অন্তত কোটি টাকার মাছ। দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে দুর্ভোগে।

উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের বাঁশখালি ও ইছাখালি ইউনিয়নের সাহেবদীনগর গ্রামের পানিবন্দী পরিবারগুলো বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক সপ্তাহ ধরে দিন কাটাচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে। টানা বৃষ্টিতে এ এলাকার কোন কোন ঘরে কোমর পর্যন্ত পানি উঠেছে। বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ৩০টিরও বেশি পরিবার। খাল দখল করে বাঁধ দেয়ায় পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে ভেসে গেছে অনেক মৎস্য ঘেরের মাছ। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে ভেসে যেতে পারে এ এলাকার অবশিষ্টদের। এর ফলে হুমকিতে পড়বে মাছ চাষ আর পথে বসবে মাছ চাষের ওপর নির্ভরশীল মানুষ।