১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বেবী মওদুদ ছিলেন নির্লোভ নিরহংকারী মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার॥ লেখক, সাংবাদিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক বেবী মওদুদ ছিলেন নির্লোভ, সৎ নিরহংকারী মানুষ। তিনি সব সময় সদাসিদে জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। শুক্রবার বেবী মওদুদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় বিশিষ্টজনেরা এ মন্তব্য করেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সমাজহ এ স্মরণ সভার আয়োজন করে। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করে অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে আনিসুজ্জামান বলেন, বেবী মওদুদ ছিলেন নির্লোভ ও নিরহংকারী একজন মানুষ। তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার পরও তিনি কারো সঙ্গে খারাপ আচরণ করেননি। স্বামী হাছান আলীর অকাল মৃত্যু তার জীবনকে উলট-পালট করে দিলেও সংগ্রাম করে মাথা উচুঁ করে বেঁচে ছিলেন তিনি। ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যেও ছিলেন দৃঢ়চেতা। আদর্শই আজ তার স্মৃতিকে ধরে রেখেছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল, কবি কাজী রোজী এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, আগামী প্রকাশনের প্রকাশক ওসমান গনি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাব মাহমুদ, বেবী মওদুদের বড় ছেলে অভি প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক ফরিদ হোসেন।

উল্লেখ্য লেখক সংবাদিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক বেবী মওদুদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল শনিবার। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত বছর ২৫ জুলাই ৬৬ বছর বয়সে মারা যান তিনি। বেবী মওদুদ ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুল মওদুদ ছিলেন একজন বিচারপতি। আর মায়ের নাম হেদায়েতুন নেসা। ছয় ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। আনুষ্ঠানিক নাম এ এন মাহফুজা খাতুন হলেও সবাই তাকে চিনতেন বেবী মওদুদ নামে। ১৯৬৭ সাল থেকে সাংবাদিকতায় যুক্ত বেবী মওদুদ দৈনিক সংবাদ, বিবিসি, দৈনিক ইত্তেফাক, বাসস ও সাপ্তাহিক বিচিত্রায় দীর্ঘদিন কাজ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স এডিটর ছিলেন।