২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আনন্দ উচ্ছ্বাসে আয়োজনে বিদেশে আরেক বাংলা

‍রাহুল সাহা-জয়া সাহা। বাংলাদেশের এক দম্পতি। স্বপ্নের দেশ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ কানাডা প্রবাসী তারা। কানাডার টরেন্টো শহরে অবস্থান করছেন ৯৯ সাল থেকে। বাংলাদেশীর আধিক্যে সেখানেই গড়ে উঠেছে আরেক বাংলা। রাহুল সেখানকার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। আর জয়া গৃহিণী। বেশ আয়েসীভাবেই বসবাস তাদের। বাঙালী এ দম্পতির কোন কিছুরই ঘাটতি নেই টরেন্টোতে। এমনকি এ দেশী কৃষ্টি কালচার উৎসব পার্বণ কোন কিছুই। বরং বাংলাদেশ থেকেও বেশি আনন্দ উৎসব হয়ে থাকে বলে জানালেন জয়া সাহা।

প্রচুরসংখ্যাক বাঙালী রয়েছে কানাডায়। তাদের জন্য গড়ে উঠেছে পৃথক বাঙালীয়ানা শপিং সেন্টার, হোটেল রেস্তোরাঁ সবকিছুই। নেই কোন হিন্দু মুসলিম খ্রীস্টান কিংবা অন্য কোন জাতের ভেদাভেদ বা জাতপাত। সবার একটাই পরিচয় তারা মানুষ। ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’-এমন কথার বাস্তবতা নাকি সেখানেই মেলে প্রকৃত অর্থে। জয়া জানালেন, সেখানে মূলত পালিত হয় মাল্টি কালচার। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যথারীতি সেখানে বড় আকারে পূজা পার্বণ করে। মুসলিমরা পালন করে পবিত্র ঈদ উৎসব ছাড়াও অন্যসব উৎসব। সবাই সবার উৎসবে শামিল হয়। আনন্দ উচ্ছ্বাস করেন। এ তো গেল উৎসব পার্বণের কথা। এ দেশীয় জাতীয় দিবসগুলো পালনেও কমতি নেই তাদের। যথারীতি পালিত হয় পহেলা বৈশাখ, ১৬ ডিসেম্বর, ২৬ মার্চ এবং ২১ ফেব্রুয়ারিসহ অন্যসব জাতীয় দিবসগুলো। এমনকি পৌষ পার্বণ থেকেও পিছিয়ে থাকে না তারা। সেখানে বেশি আনন্দ হয় ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন আর ইস্টার সানডেতে।

Ñমানিক সরকার মানিক, রংপুর থেকে