১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়ায় লঞ্চের চাপে যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়ায় লঞ্চের চাপায় অজ্ঞাত (৫৫) এক যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শুক্রবার দুপুরে এমএল নাহার লঞ্চ থেকে নামার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তার বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায়। সে ঢাকার উদ্দেশে কাওড়াকান্দি থেকে লঞ্চে শিমুলয়ায় আসে। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লঞ্চটির সুকানি মোঃ সামসুল হক বলেন, আমি মাঝিকান্দি ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে এসে লঞ্চ নোঙ্গর করার সময় ওই যাত্রীর পা পিছলে লঞ্চের আরনি ও পন্টুনের সঙ্গে চাপ লাগে। এ সময় চাপ লেগে যাত্রীর বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে আমার কোন দোষ নেই। তড়িঘড়ি করে যাত্রীকে আহত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। তবে যাত্রীর সঙ্গে কোন লোক না থাকায় ও সে কথা বলতে না পারায় তার নাম জানা সম্ভব হয়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লঞ্চ চালক ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীর চিকিৎসার ব্যাপারে প্রশাসন বা লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

এ ব্যাপারে মাওয়া নৌ পুলিশ জানায়, নাহার লঞ্চের সুকানি সামসুল হককে লৌহজং থানার এসআই হাফিজ এসে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। বিআইডব্লিউটিএ’র ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিমুলিয়া ঘাটের পরিবহন পরিদর্শক (টিআই) জানান, আমি ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। কিন্তু লঞ্চ সুকানির নাম-ঠিকানা লেখার আগেই পুলিশ সুকানিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে নাহার লঞ্চের মালিক ভাস্কর চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই যাত্রী তাড়াহুড়া করে লঞ্চ থেকে নামার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে আমার লঞ্চের সুকানির কোন দোষ নেই। তবে আহত যাত্রী এখন কোথায় আছে আমি জানিনা। অভিযোগ রয়েছে, লঞ্চটির মালিক লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে রক্ষা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে লৌহজং থানার পুশিল জানায়, এখনও থানায় কোন মামলা হয়নি।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া