১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঈশ্বরদীতে ভেজাল খাদ্য বন্ধের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ ভেজাল খাদ্য পণ্য খেয়ে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন অঞ্চলের নানা বয়সি মানুষ পেটের পিড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওযায় ঈশ্বরদীর বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ঈশ্বরদী বাজার ও নতুন হাট গোল চত্বর এলাকায় নকল খাদ্য পণ্য উৎপাদনকারী কারখানা আবিস্কার ও নকল ঘি সস, সেমাই, তেলসহ বিভিন্ন প্রকারের নকল পণ্য আটক করা হয়। গত ঈদের দিন থেকে শুরু করে অদ্যবদি ঈশ্বরদী হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রায় শতাধিক মানুষ পেটের পিড়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। ভেজাল খাদ্য পণ্য খাওযায় প্রায় প্রত্যেকটি পরিবারের মানুষ কমবেশি আক্রান্ত হওযায় ঈশ্বরদীতে এখন ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাত ক্রমেই অন্যতম প্রধান সমস্যায় পরিনত হতে যাচ্ছে। ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি বন্ধ এবং ভেজালের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

সাবেক ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ও পৌর আ’লীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বলেন, ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ মানবিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে অপরাধ মূলক। এসব অপরাধ মূলক কাজ বন্ধে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে চাই। রাষ্টীয় প্রচলিত আইন অনুযায়ি ভেজালের খাবার তৈরির সাথে জড়িতদের শাস্তি হচ্ছে এবং আরও হওয়া দরকার। পাবনা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আক্তারুজ্জামান মুক্তা বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হয়ে ভেজাল মুক্ত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ জোড়দার করা উচিত। ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান বলেন, ঈশ্বরদীতে ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি হয়। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলঅম বাচ্চু বলেন, ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে জোড়ালো অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।