২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শাহজিবাজারের পরিচালকদের জরিমানা কমল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতের বহুল আলোচিত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (এসপিসিএল) প্রত্যেক পরিচালকের জরিমানার পরিমাণ কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কোম্পানির পরিচালক বরাবর পাঠিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে প্রত্যেক পরিচালকের ওপর করা জরিমানা ২ লাখ টাকা করে কমানো হয়েছে। এতে করে ১০ লাখ টাকার পরিবর্তে জরিমানার পরিমাণ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানির পরিচালক একেএম বদিউল আলম, মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, আনিস সালাহউদ্দিন আহমেদ, রেজাকুল হায়দার এই জরিমানার অন্তর্ভুক্ত হবেন। একই সঙ্গে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলমের ওপর করা জরিমানাও ১ লাখ টাকা কমানো হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জরিমানা ৫ লাখ টাকার পরিবর্তে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে বিএসইসি।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে নেট মুনাফা ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা বেশি দেখিয়েছিল। যা কোম্পানির বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিষয়ে গত বছরের ১২ অক্টোবর বিএসইসির এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এ কারণে ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থার ৫৩০তম সভায় কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালককে ১০ লাখ টাকা করে ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এরপর জরিমানা কমানোর জন্য কমিশনের কাছে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি আবেদন করে পরিচালকবৃন্দ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন জরিমানা কমিয়ে দেয়। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কথা গত ৭ জুলাই কোম্পানিকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়।

বিএসইসির চিঠির বিষয়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম বলেন, আমরা বিএসইসির চিঠি পেয়েছি এবং জরিমানা ৫০ শতাংশ ইতোমধ্যে দিয়ে দিয়েছি। বাকিগুলো খুব শীঘ্রর দিয়ে দেব।

বিএসইসির সহকারী পরিচালক মোঃ বনি ইয়ামিন খান স্বাক্ষরিত গত বছরের ওই চিঠিতে বলা হয়, কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান এ কাশেম এ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টস শাহজিবাজারের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে বিশেষ নিরীক্ষা চালায়। যেখানে বিশেষ নিরীক্ষক জানায় বকেয়া খরচ (ডেফার্ড রেভিনিউ এক্সপেন্ডিচার) ১৩ কোটি ২৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা ও প্রাথমিক ব্যয় ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বাংলাদেশ এ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) অনুসারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

নির্বাচিত সংবাদ