১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গত বছরে ১ লাখ ৮৮ হাজার বিও হিসাব বন্ধ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের বিও নবায়ন না করায় গত বছরে প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও এ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। নিয়মানুযায়ী, বিও এ্যাকাউন্ট নবায়ন করতে এ্যাকাউন্টধারীদের ফি দিতে হয় ৫০০ টাকা করে। এখন পর্যন্ত নবায়ন না করায় এ হিসাবগুলো বন্ধ হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে প্রতিবছর ৩০ জুনের মধ্যেই সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) ফি জমা দিতে হয়। এর মধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, ব্রোকারেজ হাউস (হিসাব পরিচালনাকারী) ১০০ টাকা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫০ টাকা এবং বিএসইসির মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা হয় ২০০ টাকা।

২৫ জুন, ২০১৫-তে পুঁজিবাজারে বিও এ্যাকাউন্টের পরিমাণ ৩২ লাখ ২৩ হাজার ছিল বলে সিডিবিএল সূত্রে জানা যায়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বিও এ্যাকাউন্ট কমে গিয়ে নেমে এসেছে ৩০ লাখ ৩৫ হাজারে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিও এ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২৯ লাখ ৫শ’ ৩৪টি, প্রবাসী বাংলাদেশীদের ১ লাখ ৪০ হাজার এবং বিভিন্ন কোম্পানির ১০ হাজার ২শ’ ৯৯টি।

নবায়নের টাকা ২৫ জুনের মধ্যে না পেয়ে সংশ্লিষ্ট হিসাব তালিকা সিডিবিএলে পাঠায় ব্রোকারেজ হাউজগুলো। তালিকা অনুযায়ী এসব হিসাব বন্ধ করে দেয় সিডিবিএল।