১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্দোষ শ্রীশান্থ, ফিরতে চান ক্রিকেটে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বহুল আলোচিত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) স্পট-ফিক্সিং কলঙ্ক থেকে মুক্ত হলেন রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার শান্তকুমারন শ্রীশান্থ, অজিত চন্ডিলা এবং অঙ্কিত চাবান। যথোপযুক্ত সাক্ষী-প্রমাণের অভাবে শনিবার দিল্লীর বিশেষ আদালত এই তিন ক্রিকেটারকে বেকসুর খালাস দেয়। স্বাভাবিকভাবেই এই রায় স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। কারণ ফিক্সিং, অর্থপাচার ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগের পক্ষে দিল্লী পুলিশই মামলাটি করেছিল। স্পট-ফিক্সিংয়ের অভিাযোগ থেকে মুক্ত- আদালতের এই রায় শোনার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ৩২ বছর বয়সী শ্রীশান্থ। ভারতের হয়ে ২৭ টেস্ট ও ৫৩ ওয়ানডে খেলা একসময়ের গতিতারকা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, ‘ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস ও দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার আস্থা ছিল। আজ আমি ভীষণ খুশি। ফের বল হাতে মাঠে নামব, এর থেকে আনন্দের আর কী হতে পারে! আজ আমি খুব আনন্দিত। চেষ্টা করব পারফর্ম করে ফের জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে।’ শুরু থেকে বারবারই নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করে আসছিলেন রাজস্থানের অভিযুক্ত এই তিন ক্রিকেটার। রায় শোনার পর ৩১ বছর বয়সী হরিয়ানা অলরাউন্ডার চাবান বলেন, ‘এটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। গত দুই বছর যে কলঙ্ক আমাদের গায়ে লেপে দেয়া হয়েছে, আজ তা থেকে মুক্ত হলাম। এবার নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারব।’ এই তিন ক্রিকেটার ছাড়া প্রমাণের অভাবে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে অভিযুক্ত মোট ৪২ জনকে বেকসুর খালাস দেয় দিল্লী আদালত। যেখানে রয়েছেন আন্তর্জাতিক আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন দাউদ ইব্রাহিম এবং শাকিলও।

আইপিএলের ষষ্ঠ আসরে অর্থাৎ ১৬ মে, ২০১৩ স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে গ্রেফতার হন রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার শ্রীশান্থ, চাবান ও চন্ডিলা। বেশ কয়েক মাস জেলও খাটতে হয় তাদের। অতঃপর সকল অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেন তারা। মাঝের দুই বছরের বিভীষিকাময় সময়টা ভুলে ফের বাইশ গজে ফিরতে মরিয়া শ্রীশান্থরা। কয়েক দিন আগে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয় আইপিএলের দুই জনপ্রিয় দল চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। আজীবনের জন্য ক্রিকেটীয় কর্মকা- থেকে নির্বাসনে পাঠানো হয় দুই দলের দুই মালিককেও। চেন্নাইর অধিনায়ক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে ঘৃণিত এ বিষয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির নামও উঠে আসে। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ভরতের বিশ্বজয়ী সেনাপতি। ‘ভারতীয় ক্রিকেটে বিতর্কিত কিছু ঘটলেই আমার নাম উঠে আসে।