১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকায় লিবীয় দূতাবাস দখলের অভিযোগ

কূটনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকায় লিবিয়া দূতাবাস দখল এবং স্থানীয় ‘দুর্বৃত্ত’ দিয়ে কর্মকর্তাদের বের করে দেয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মাহমুদ এম এম সাল্লাবির বিরুদ্ধে। তিনি তার দেশের আইন ও নির্দেশ অমান্য করে বিভিন্ন কর্মকা- চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন সাবেক লেবার অ্যাটাশে খালেদ মোহাম্মদ আবু সাঈদ।

সংবাদ সম্মেলনে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে দাবি করে খালেদ বলেন, সাল্লাবিকে স্টেট অব লিবিয়ার (ত্রিপোলি সরকার) পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থা (এফএন্ডসি) বিষয়ক মন্ত্রী গত ২ জুলাই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত পদ থেকে লিখিতভাবে অপসারণ করেন এবং তাকে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত না করা পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। বিষয়টি ঢাকায় লিবীয় বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়। অথচ সাল্লাবি এই নির্দেশ অমান্য করে দেশে ফিরে যাবার পরিবর্তে ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিনের পদ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সমস্যা সৃষ্টি করছেন। শুধু তাই নয়, গত ১৫ জুলাই রাতে সাল্লাবি স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে লিবিয়া দূতাবাসের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকেন। কয়েক কূটনীতিককে আঘাত করেন।

খালেদ আবু সাঈদ আশা প্রকাশ করেন, সাল্লাবিকে তার দেশের নির্দেশ মোতাবেক লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে এবং ঢাকার লিবিয়া দূতাবাসে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করবে। তিনি বরখাস্তকৃত সাল্লাবির সঙ্গে কোন ধরনের যোগাযোগ না করার অনুরোধ জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখনো দূতাবাস সাল্লাবির দখলে রয়েছে। তিনি গুলশান ২ থানায় অভিযোগও করেছেন। জানান, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সাল্লাবি বা খালেদ কোন পক্ষকেই অনুমোদন দেয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের একটি প্রতিনিধি দল বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও তদন্তের জন্য লিবিয়া দূতাবাসে যাবে। অন্যদিকে, লিবিয়ায় বিরাজমান অস্থিরতার কারণে দেশটিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকদের প্রতি সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।