২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ডা. জাফরুল্লাহ’র জরিমানা বাতিল আবেদনের শুনানি সোমবার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আদালত অবমাননার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর জরিমানার আদেশ বাতিলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আবেদনের শুনানির দিন পিছিয়ে আগামীকাল সোমবার পুনর্নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবীর সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার এ দিন পুনর্নির্ধারণ করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। শুনানি পেছাতে সময়ের এ আবেদন জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে গত ১৬ জুন চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আবেদনটি গ্রহণ করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়ে ৫ জুলাই পর্যন্ত জরিমানার আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত।

৫ জুলাই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে গত ১৩ জুলাই কার্যতালিকায় এলে শুনানি পেছানোর আবেদন জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আইনজীবী। এর প্রেক্ষিতে রোববার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল।

গত ১০ জুন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আদালত অবমাননার দায়ে এক ঘণ্টার কারাদণ্ড (এজলাসকক্ষে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা) এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ড সাজা দেন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে।

ব্রিটিশ নাগরিক ও সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানকে ট্রাইব্যুনালের সাজার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ায় তার এ সাজা হয়।

তিনি দণ্ড ভোগ করতে কাঠগড়ায় উঠতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টা ২৫ মিনিট ধরে এজলাসে বাকবিতণ্ডা, ট্রাইব্যুনাল ও বিচারপতিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন ডা. জাফরউল্লাহ। এমনকি বিচারপতিদের জাফরউল্লাহ বলেন, আপনারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ আদেশ দিয়েছেন। বিচারকরা এজলাস ত্যাগ করার পরও উচ্চকণ্ঠে তিনি বলতে থাকেন, এটা বিচারকদের অসহিষ্ণুতার লক্ষণ।

অবশেষে অনেকের অনুরোধ ও জোরাজুরিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দণ্ড ভোগ করলেও ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হয়েই ডা. জাফরুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি জরিমানার টাকা পরিশোধ করবেন না। তাতে যা হবার হবে। ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলেও সে সময় জানিয়েছিলেন তিনি।