১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাকা পরিবারের সাক্ষাত কোন বিচারপতি দেখা দিয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি না

  • এ্যাটর্নি জেনারেল

স্টাফ রিপোর্টার॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপীলের বিচার কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে

মন্তব্য করেছেন এ্যাটর্র্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রবিবার দুপুরে এ্যাটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, মুজাহিদের পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিষয়ে বলেন, ‘অচিরেই মুজাহিদের রায় পাবো। দুইÑতিন সপ্তাহের মধ্যে মুজাহিদের রায় প্রকাশ হতে পারে। এটা আমার অনুমান। যেহেতু এবার আপীলের রায় ঐক্যমতের ভিত্তিতে হয়েছে সেহেতু একজন বিচারক রায় লিখবেন।’ অন্য বিচারপতিদের এখানে ভিন্নমত পোষণ করে রায় দেয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এ আদালতের কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। আশা করছি আগামী ২Ñ৩ সপ্তাহের মধ্যে মুজাহিদের রায় পাবো।’

এ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর রায় নিয়ে কোন বিচারপতি তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন এ রকম খবর আমি বিশ্বাসই করি না।’ একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন এসেছেÑ কোন এক বিচারপতির সঙ্গে সাকার পরিবারের সদস্যরা তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গুজবের ওপর ভিত্তি করে কোন রিপোর্ট হতে পারে না। এ ধরনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রধান বিচারপতির অফিস কোন প্রতিবাদ পাঠাতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করাই এর লক্ষ্য, এটা কারও কাম্য নয়। এ ধরনের লেখা বিচারিক কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় ক্ষতি হয় শত্রুর দ্বারা, আবার অনেক সময় ক্ষতি হয় অতি উৎসাহী বন্ধুর দ্বারা। সাকার আপীলের মামলায় আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষ লিখিতভাবে আদালতে বক্তব্য তুলে ধরেছেন। সাক্ষীদের সাক্ষের ওপর ভিত্তি করে আদালত এ মামলায় রায় দিবেন।’ সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এ ধরনের স্পর্শকাতর মামলা নিয়ে কলাম লেখা উচিত নয়। তাতে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়। আমি কোন দিনই বিশ্বাস করতে পারি না যে, সাকার মামলার রায় নিয়ে এ ধরনের বৈঠক হতে পারে। আমি ৩০ বছর ধরে আপীল বিভাগের বিচারপতিদের চিনি। তাদের সততা, দক্ষতা ও ন্যায় পরায়ণতা নিয়ে আমার ধারণা আছে, তারা সকলেই দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী। তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়।’