১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আরজে নিয়ে যতো কথা

আরজে কথাটি কানে এলেই মনের কোণে ভেসে আসে চটপটে কোন তরুণ কিংবা তরুণীর কথা। যারা খুব দ্রুত কথার ছন্দ বুনে আচ্ছন্ন করে রাখে শ্রোতাদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয় আড্ডা, গান আর কাবিতায়। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এফএম রেডিওগুলোর আরজেরা যেন এখন পরিচিত এক মুখ। অবশ্য মুখের চেয়ে কণ্ঠস্বরেই তারা খ্যাত। শ্রোতারা তাদের কণ্ঠ শুনেই ভক্ত হয়ে যায়। কার কেমন চেহারা সে হিসেব আর করা হয় না। আর এখানেই আরজেদের স্বার্থকতা। শুধুমাত্র শ্রোতা ভক্তদের মধ্যেই আরজেরা সীমাবদ্ধ নয়। এটি এখন একটি প্ল্যাটফর্ম। রীতিমতো যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে এ পেশায় টিকে থাকতে হয়। এখন তো বিভিন্ন জায়গা থেকে আরজে কোর্স সম্পন্ন করে এসে আরজে তকমাটি লাগাতে হয়। এ পেশায় থেকেও যে নিজের জীবন সাজানো সম্ভব জনপ্রিয় এফ এম রেডিওগুলো তারই প্রমাণ।

এ বিষয়ে কথা হয় রেডিও আমার এর আরজে নাইমার সঙ্গে। সেই ২০০৭ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে রেডিও আমার-এ নাঈমা আছে ছুটির সকাল নিয়ে।

ছুটির সকাল’ নামেই বোঝা যায় ছুটির দিনের নানা আয়োজনকে নিয়েই সাজানো অনুষ্ঠান। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দশটার সংবাদের আগ পর্যন্ত আর শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে এগারোটার সংবাদের আগ পর্যন্ত পুরো সময় জুড়ে নাঈমা থাকে বন্ধুদের সঙ্গে। ইচ্ছা করলে যে কোন কর্মজীবী মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারেন নাঈমার সঙ্গে ছুটির সকালের আড্ডায়। আর এই আড্ডায় যোগ দিতে চাইলে প্রথমেই মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে জঅ, ংঢ়ধপব দিয়ে ঘঅগঊ, ংঢ়ধপব দিয়ে ষড়পধঃরড়হ, ংঢ়ধপব দিয়ে আপনি কি করেন চাকরি/ব্যবসা লিখে, ংঢ়ধপব দিয়ে একটি কন্ট্রাক্ট নাম্বার দিয়ে ংবহফ করতে হবে ৬৯৬৯ নাম্বারে ‘ছুটির সকাল’ অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে যত খুশি ততটা। তাহলে হয়ত যে কোন দিন রেডিও আমার-এর ‘ছুটির সকাল’ অনুষ্ঠানের হট সিটের অতিথি হবেন আপনি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এফএম-এর সংখ্যা বাড়লেও দীর্ঘদিন রেডিও আমার-এ নাঈমা। প্রশ্নের সহজ উত্তর কথাবন্ধু নাঈমারÑ রেডিও আমার একেবারে পরিবারের মতো আপন করে নেয় সবাইকে। আছে কাজের স্বাধীনতা। আর কাজ করার চমৎকার পরিবেশ তো রয়েছেই। এছাড়া যে কোন তরুণ তরুণী এটাকে পেশা হিসেবে নিতে পারে।

ঢাকা এফএমের সামি জানান, অনেকটা ভাল লাগা থেকে এ পেশাতে আসলেও এখন প্রফেশনালি কাজটা করে যাচ্ছি। মাথায় নিত্যনতুন অনুষ্ঠান নির্মাণের থিম খেলাতে থাকি। তাছাড়া শ্রোতারা এখন কোন কোন মুডের প্রোগ্রাম পছন্দ করে ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে ভাবতে হয়, যা সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চকর। অনেক কর্মসংস্থানের ফাঁকেও রেডিও স্টেশনগুলোও অন্যতম। যে কেউ নিজের ক্যারিয়ার সাজাতে পারে এ পেশায় জড়িয়ে থেকে।

সময়ের সঙ্গে আপডেট হচ্ছে রেডিও স্টেশনগুলো। সেই সঙ্গে বাড়ছে তরুণ- তরুণীদের আগ্রহ। পেশা হিসেবে নেয়া হচ্ছে আরজে। অতএব সময় এখন মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে হ্যালো বলার।

যাপিত ডেস্ক

আরজে নাইমা