২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা উড়াল সড়ক ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ ১৬ আগস্ট শুরু

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (উড়াল সড়ক) ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হবে আগামী ১৬ আগস্ট। নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে ওই দিনই প্রকল্পের জমি হস্তান্তর করা হবে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হোটেলে রবিবার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ইটাল-থাই কোম্পানির চেয়ারম্যান প্রেমচাই কার্নাসুতার সঙ্গে আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত হয়। ব্যাংককে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সাঈদা মুনা তাসনিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সেতু মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ঢাকা উড়াল সড়কটি সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বের (পিপিপি ভিত্তিক) নির্মিত হতে যাচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় শাহজালাল (র) বিমানবন্দর থেকে মহাখালী হয়ে তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-কুতুবখালী পর্যন্ত ২০ কিমি এ উড়াল সড়ক নির্মিত হবে। সংযোগ সড়কসহ এর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৪৬ কিমি। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

রাজধানীর যানজট নিরসনে ২০০৯ সালে ২৬ কিমি দীর্ঘ ঢাকা উড়াল সড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় মহাজোট সরকার। আট হাজার ৭০৩ কোটি ১২ লাখ টাকার এ প্রকল্পে মোট ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ বিনিয়োগকারী ও ২৭ শতাংশ সরকারের বহন করার কথা। এ জন্য থাইল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইটালিয়ান-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি চুক্তি হয়। ওই বছর ৩০ এপ্রিল প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিদিন কমপক্ষে ১৩ হাজার ৫০০ যানবাহন এ উড়াল সড়কে চলাচল করবে বলে প্রাথমিক সমীক্ষায় ধরা হয়। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয় তখন। ২০১১ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এর কাজ আর এগোয়নি, বেড়েছে ব্যয়।

শনিবার রাত সাড়ে দশটায় সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। সফরকালে ওবায়দুল কাদের জাপানের সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। এছাড়া জাইকা (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) ও জাপানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।