১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভয়াল রুপে মেঘনা, ঝুঁকির মুখে ভোলা শহর

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ গত কয়েক দিন ধরে দুযোর্গপূর্ন আবাহওয়ার কারনে উত্তাল হয়ে ভয়ঙ্কর রুপ নিয়েছে রাক্ষুসে মেঘনা। গত ২৪ ঘন্টার আকস্মিক মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত ৪’শ মিটার এলাকা। শতাধিক ঘরবাড়ি, অর্ধশতাধিক দোকানপাট, একটি মৎস্যঘাট, একটি মসজিদ, একটি পারাপার ঘাট ও ভোলা-লক্ষীপুর সড়ক ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভোলা-লক্ষীপুর মহা সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় বিআউব্লিউটিসির ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার সাথে বন্দর নগরি চট্রগ্রামের সহজ যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সাধারন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহনে বিপাকের মধ্যে রয়েছে। ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন নদীর তীরবর্তি মানুষ। কেউ কেউ আবার সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। অপর দিকে ভোলা ইলিশা ফেরিঘাট অন্যত্র স্থান্তর করে দ্রুত যাতে ভোলা-লক্ষীপুর ফেরি সার্ভিস চালু করা যায় তার জন্য ৩ সদস্যের একটি টিম ভোলা ফেরিঘাট এলাকা পরির্দশনে এসেছেন। ভোলা প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ড,সড়ক বিভাগ ও বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের সাথে জরুরী বৈঠকে আগামী ১৫ দিনে মধ্যে ভোলা-লক্ষীপুর সড়ক মেরামত করার সিদ্ধান্ত হয়।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মনোয়ার হোসেন জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২ মাসের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট এলাকার ভাঙ্গন রোধ করবে এবং সড়ক বিভাগ ভোলা-লক্ষীপুর সড়কটি চালু করতে ১৫ দিনে মধ্যে বাইপাস সড়ক করবে। এছাড়া অন্যত্র ফেরিঘাট স্থানান্তর করতে গেলে পানির ¯্রােতে সেখানে ঘাট রক্ষা করা সম্ভব হবে না বিদায় আপাতত ফেরিঘাট পূর্বের যায়গায় থাকবে বলে তিনি জানান।

ভোলা পানি উন্নয় বোর্ডর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম জানান, ভাঙ্গন রোধ করতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় তাদের কাজ ব্যহত হচ্ছে। মেঘনা উত্তাল হওয়ায় কার্গোযোগে বালি আনতে সমস্য হচ্ছে। ভোলা-লক্ষীপুর মহা সড়ক মেরামত করতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগবে।