১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের বিমান হামলা স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি

কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করার অপ্রত্যাশিত উদ্যোগ এবং একই সময় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে অভিযাগে তুরস্কের শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। এ শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেশটির অর্থনীতিতে কল্যাণ বয়ে এনেছে। খবর ইয়াহু নিউজের।

কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে সরকারের ২০১২ যে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় তার প্রেক্ষিতে চুক্তি স্বাক্ষর প্রেসিডেন্ট রেসিপ তায়িপ এর দোগানের জন্য এক অন্যতম অবদান। এ চুক্তি সাক্ষরের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সহিংসতার অবসান হয়। ঐ সহিংসতায় নিহত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু সম্প্রতি কুর্দি বিদ্রোহীরা ২ তুর্কি পুলিশকে হত্যার দায়িত্ব দাবি করলে এবং তুর্কি জেট বিমানগুলো ইরাকের উত্তরাঞ্চলে একটি কুর্দি ঘাঁটিতে হামলা চালালে সে স্থিতিশীলতা ভেঙ্গে পড়ে। তুর্কি কর্মকর্তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তুর্কি গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য কুর্দিদের বিরুদ্ধে ইরাকে এবং আইএসের বিরুদ্ধে সিরিয়ায় বিমান হামলাকে এর চরম পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলেছেন, পিকেকের সাম্প্রতিক সহিংসতার জবাবে এ পদক্ষেপ গ্রহণ খুবই প্রয়োজন ছিল। প্রধানমন্ত্রী আহমেদ দাবুতোগুলুও এ কুর্দি বিদ্রোহী গ্রুপটির বিরুদ্ধে তুর্কি অঞ্চল থেকে সশস্ত্র যোদ্ধাদের প্রত্যাহার এবং তাদের নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র এ গ্রুপটিকে সন্ত্রাসী গ্রুপ বলে বিবেচনা করে। ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর স্ট্র্যটেজিক এ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে টার্কি প্রকল্পের পরিচালক বুলেনত আলিরিজা বলেছেন, আসলে তুরস্ক এখন কঠোর হস্তে দমন করছে আইএসকে।