২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে ডিজিটাল মিটার বিড়ম্বনায় বিদ্যুত গ্রাহক

  • সংযোগ না দিতেই বিল এসে হাজির

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ পল্লী বিদ্যুতের দেয়া ডিজিটাল মিটারের চরম বিড়ম্বনার মুখে পড়েছেন রাজশাহীর গ্রামাঞ্চলের গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া না হলেও বিল এসে হাজির হয় গ্রাহকের হাতে। জেলার তানোর উপজেলার মু-মালা এলাকার গ্রহকরা এ নিয়ে বিড়ম্বনায় রয়েছেন। পল্লীবিদ্যুত সমিতিও এসব মিটার নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে।

জানা গেছে, রাজশাহীর তানোর উপজেলার মু-ুমালা বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান তার ছোট দোকানে বিদ্যুত সংযোগ নেয়ার জন্য রাজশাহী পল্লীবিদ্যুত সমিতির আওতায় তানোর সাব জোনাল অফিসে আবেদন করেছিলেন। সেই মোতাবেক তার দোকানে পহেলা জুলাই ডিজিটাল মিটার লাগিয়ে দিয়ে যান পল্লী বিদ্যুতের লোকজন। ২/১ দিনের মধ্যেই সংযোগ দেয়ার কথা ছিল। তবে এখনো ওই দোকানে সংযোগ মেলেনি। অথচ হাবিবুর রহমান বাণিজ্যিক মিটার (হিসাব নং ০১-১০৭-৩৭০৭) হিসেবে ৫০ ইউনিট বিলে ৫৫০ টাকা বিলের কাগজ পেয়েছেন। বিদ্যুত সংযোগ না পেয়েই এত টাকা বিল দেখে গ্রাহক হাবিবুর রহমান হতবাক। এখন সমাধানের জন্য বিলের কাগজ হাতে নিয়ে ঘুরছেন বিদ্যুত অফিসের দ্বারে দ্বারে।

মু-ুমালা গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে জলিল সরদার তার বাড়িতে বিদ্যুত সংযোগ নেয়ার জন্য ২০ দিন আগে আবেদন করেন। ১৫ দিন আগে তার বাড়িতে (আবাসিক) ডিজিটাল মিটার দিয়ে বিদ্যুত সংযোগ দেয় পল্লীবিদ্যুত অফিস। প্রথম দিন মাত্র একটি ফ্যান ও একটি এনার্জি ২০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়ে ৫৫ ইউনিট তার মিটারে রিডিং উঠে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুত অফিসে অভিযোগ করেন। পরদিন সেই মিটার খুলে অন্য একটি মিটার লাগায় পল্লীবিদ্যুত অফিস। তার সমস্যা আরও বেশি। মাত্র দুই দিন পর জলিল সরদার দেখতে পান তার মিটারে রিডিং উঠেছে ৩৫০ ইউনিট। আবারও অভিযোগ। তৃতীয় দফায় পরিবর্তন। এইভাবে ১৫ দিনে চারটি মিটার পরিবর্তন করেও হিসেব মেলাতে পারছেন না তিনি। তানোর পল্লী জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর থেকে উপজেলার প্রায় পাঁচ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক ডিজিটাল মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

আন্দোলন স্থগিত ॥ কালোব্যাচ পরে কাজে যোগ

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ চলমান কর্মসূচী আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করে কালোব্যাচ ধারণ করে কাজে যোগ দিয়েছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার অফিস সময়ে তারা কাজে যোগ দিয়ে দাফতরিক কাজ শুরু করেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী প্রকৌশলী জিএফএম হাসানুল ইসলাম বলেন, নির্বাহী পরিচালক কামাল উদ্দিনের আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করে কাজে যোগ দিয়েছেন। এ সময় পর্যন্ত তারা কালোব্যাচ ধারণ করে অফিস করবেন। ৪ আগস্টের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ না হলে আবারো আন্দোলনে যাবেন বলে জানান তিনি।

নির্বাচিত সংবাদ