২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বি’বাড়িয়ায় এলজিইডির কোটি টাকার কাজ ভাগ বাটোয়ারা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এলজিইডিতে নজিরবিহীন টেন্ডারবাজ হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ৩২ কোটি টাকার কাজ ভাগ বাটোয়ারা হয়েছে। এ নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এলজিইডির স্থানীয় শীর্ষ কর্মকর্তারা এ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অফিস ও ঠিকাদার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন দু’গ্রুপে প্রায় ৩২ কোটি টাকার ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়। জেলার বিজয়নগর উপজেলার নুরপুর জিসি থেকে কালীবাড়ি আরএইচডি রোড পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের বরাদ্দ দেয়া হয়। ৮ জুলাই দরপত্র ক্রয়ের ও ৯ জুলাই দরপত্র জমার শেষ দিন নির্ধারণ ছিল। আহ্বানের পর টেন্ডার সন্ত্রাসীরা নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে এক কোটি ৫০ লাখ টাকার সমঝোতা করেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। দরপত্র জমার কয়েকদিন পূর্বে নির্বাহী প্রকৌশলী টেন্ডার সন্ত্রাসীদের আলোচনা করে দফা-রফা করেন। একাধিক ঠিকাদার জানান, ৮ জুলাই দরপত্র ক্রয়ের সময় নির্বাহী প্রকৌশলী বিভিন্ন ঠিকাদারকে ডেকে নিয়ে এ টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে নিষেধ করেন। এর বাইরে কোন ঠিকাদার অংশগ্রহণ করলে তাদের পূর্বের যেসব কাজ চলছে এবং বিল পাওয়ার অপেক্ষায় আছে তাদের হয়রানি করা হবে বলে হুমকি দেন। এছাড়া এ দু’টি কাজ নির্দিষ্ট দুই ঠিকাদারকে দিতে বলেছেন বলে প্রচার করা হয়।

কয়েকজন ঠিকাদার জানান, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী যোগদানের পর পূর্বের কোন উচ্চ দরের টেন্ডারের অনুমোদন দেননি। ওই টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করার নির্দেশ দেন। সর্বত্র ঠিকাদারদের মাঝে প্রশ্ন এ টেন্ডারে ৯% ও ১০% এ্যাভাব দিয়ে দরপত্র জমা হলেও তা বাতিল করে পুনরায় টেন্ডার আহ্বান হবে কি-না।

ঠিকাদাররা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এত বড় টেন্ডারবাজীর ঘটনা ঘটেছে কি-না? ঠিকাদাররা টেন্ডারটি বাতিল করে পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের দাবি জানান। নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন এ প্রসঙ্গে জানান, ই-টেন্ডারে অনিয়ম করার সুযোগ নেই। সবকিছু নিয়ম মাফিক হয়েছে। ভাগ-বাটোয়ারা কথা তিনি অস্বীকার করেন।

কলাপাড়ায় কৃষকের ওপর হামলা, আসামিদের গ্রেফতার দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২৮ জুলাই ॥ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কৃষক নজরুল ইসলামের হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম। তিনি জানান, সুমন গাজী, পাভেল গাজী, রুবেল গাজীসহ কয়েকজন তার স্বামীকে শনিবার সন্ধ্যার পরে নৃশংসভাবে হামলা করে চার হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অর্থাভাবে তার চিকিৎসাও চালাতে পারছেন না। এ সময় নজরুলের চার মেয়ে হাউমাউ করে কান্না জুড়ে দেন। সংবাদ সম্মেলন টিয়াখালী এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়। হোসনেয়ারা আরও জানান, মামলা প্রত্যাহার করার জন্য তাদের খুনের হুমকি দেয়া হচ্ছে।