২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সৈয়দপুরে ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় গুলের কারখানা

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ বিষবৃক্ষ তামাকপাতা ও তামাকের ডাটা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে নারী ও শিশুদের দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গুল। এ কাজের জন্য পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক হলেও শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে চলছে গুল ফ্যাক্টরি। ফলে বিশাল অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের আবাসিক এলাকায় একের পর এক গড়ে উঠেছে গুল ফ্যাক্টরি। আবাসিক এলাকা থেকে গুল ফ্যাক্টরিগুলো সরিয়ে নেয়ার এলাকাবাসীর দাবি বরাবরই থাকছে উপেক্ষিত। ফলে এখানকার আকাশে বাতাসে উড়ছে গুল ফ্যাক্টরিগুলোর তামাকের বিষাক্ত গুঁড়া। যার ঝাঁঝালো গন্ধে দূষিত হয়ে পড়েছে সৈয়দপুরের পরিবেশ। এর বিরূপ প্রভাবে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিসহ স্বাভাবিকভাবে বসবাস করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি গুল ফ্যাক্টরিগুলোতে সস্তা শ্রমে কাজ করানো হচ্ছে শিশু কিশোরীর ও নারী শ্রমিকদের।

অভিযোগে জানা গেছে, সৈয়দপুর শহরের বাঁশবাড়ি, নতুন বাবুপাড়া, হাজী কলোনি, মিস্ত্রিপাড়া, গোলাহাটসহ কয়েকটি আবাসিক এলাকায় ছোট-বড় মিলে ৩০টির বেশি গুল ফ্যাক্টরি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছে। এর মধ্যে তারেক, খালেদ, শাকিব, ওয়ান স্টার ও নিউ স্টার নামের বড় গুল ফ্যাক্টরি রয়েছে পাঁচটি। এসব ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের শতকরা ৯০ ভাগই নারী, শিশু ও কিশোররা শ্রমের কাজ করছে। অত্যন্ত সস্তায় মেলে এসব শ্রমিকের শ্রম।

অভিযোগ মতে, পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়াই শুধুমাত্র পৌর ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই গুল ফ্যাক্টরিগুলো চলছে। ফলে সহজ শর্তে পৌর ট্রেড লাইসেন্সেই গুলের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে।

ব্যানারে আছেন, মঞ্চে নেই

নিজস্ব সংবাদদাতা, নেত্রকোনা, ২৮ জুলাই ॥ মঞ্চের ব্যানারে প্রধান অতিথি ও সভাপতিসহ অর্ধডজন আমন্ত্রিত অতিথির নাম থাকলেও বাস্তবে তাদের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন মাত্র একজন! মঙ্গলবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নেত্রকোনা মৎস্য অধিফতরের উদ্যোগে স্থানীয় পাবলিক হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় ঘটেছে এমনটি।

জানা গেছে, পূর্ব নির্ধারিত ওই অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসাবে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, সভাপতি হিসাবে জেলা প্রশাসক ড. তরুণ কান্তি শিকদার, বিশেষ অতিথি হিসাবে পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র প্রশান্ত কুমার রায়, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান এসএম কামরুল হাসান এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার নূরুল আমিনের নাম উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বাস্তবে মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিন ছাড়া আর কেউই উপস্থিত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সভাপতির বিকল্প হিসাবে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ড. আব্দুর রহিম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আনোয়ার হোসেন আকন্দ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিলাস চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাব সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম প্রমুখ। নির্ধারিত অতিথিরা উপস্থিত না থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে কানাঘুষা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দাফতরিক কাজে ব্যস্ততার কারণে একজন ব্যতীত আমন্ত্রিত অতিথিদের কেউই উপস্থিত হতে পারেননি।