২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাকার যত যুদ্ধাপরাধ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশে একক পরিবার হিসেবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি নৃশংস অত্যাচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে তৎকালীন মুসলিম লীগের সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরীর পরিবারের বিরুদ্ধে। ফজলুল কাদের চৌধুরী আর তার ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীই সে সময় পাকবাহিনীর সহায়তায় তার অন্য অনুচরদের নিয়ে সমগ্র রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরে ভয়াবহ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।

১৯৮৩ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় প্রকাশিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র বইতেও ফজলুল কাদের বা ফকা চৌধুরী ও সালাউদ্দিন কাদের বা সাকা চৌধুরীর হত্যা, নির্যাতন, লুটতরাজসহ নানা অপকর্মের বিবরণ দিয়ে তাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাউজানে ও চট্টগ্রাম শহরের রহতমগঞ্জের গুডস হিলে তারা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বসিয়ে নির্যাতন চালিয়ে বাঙালীদের খুন করেছে। তাদের হাতে সে সময় শহীদ হয়েছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকসহ অনেক সাধারণ মানুষ।

জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নানা নাশকতামূলক কাজে জড়িয়ে পড়েন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের গুডস হিলের নিজ বাসভবনে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলেন কনসেনট্রেশন ক্যাম্প।

গুডস হিল

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীদের মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ′সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরীর গুডস হিলে মরহুম ড. সানাহউল্লার এক ছেলেসেহ চাটগাঁর কয়েকশ ছেলেকে ধরে এনে নির্মম অত্যাচার করত। ১৭ জুলাই ১৯৭১ এ ছাত্র নেতা ফারুককে ধরে এনে পাক বাহিনীর সহায়তায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী হত্যা করেন। ২৬ মার্চ থেকে আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাসায় পাক বাহিনীর এক প্লাটুন সৈন্য মোতায়েন থাকত। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, ফজলুল কাদের চৌধুরীসহ তাদের পরিবার প্রায় দেড়মণ সোনাসহ পালানোর সময় মুক্তিবাহিনীর কাছে ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর ধরা পড়েন।‍’

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত, সাখাওয়াত হোসেন মজনু লিখিত- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহর চট্টগ্রামের নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাঙালী দালালদের নির্যাতন কেন্দ্রগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়ে গুডস হিল সম্পর্কে লিখেছেন, ′মুসলিম লীগের চরমপন্থীদের দ্বারা এ নির্যাতন কেন্দ্র পরিচালিত হতো। এ বাড়িটি ফজলুল কাদের চৌধুরীর বাড়ি। ... কাদের চৌধুরী প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। শহরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্বাধীনতার পক্ষের মানুষজনকে এখানে ধরে এনে লটকিয়ে পেটানো হতো। এ বাড়িতে প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুককে হত্যা করা হয়েছে। আল বদর বাহিনীর একটা বিশেষ গ্রুপ এ বাড়ির নির্যাতনের প্রত্যক্ষ সহযোগী ছিলো।’

অত্যাচার, নির্যাতন

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত মাহবুব-উল-আলমের বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিবৃত্ত গ্রন্থের ৬৯ নম্বর পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে : নিজামুদ্দিন ১৮ই নভেম্বর চট্টগ্রাম জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। নিজামুদ্দিন জানান, সেখানে পিঠমোড়া করে বেঁধে ফজলুল কাদেরের পুত্র সালাউদ্দিন, অনুচর খোকা, খলিল ও ইউসুফ বড় লাঠি, বেত প্রভৃতি হাতে আমাকে পিটাতে থাকে। পাঁচ ঘন্টা মারের চোটে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। ৬ই জুলাই রাত্রি সাড়ে ১১টায় আমাকে স্টেডিয়ামে চালান দেওয়া হয়। এ পর্যন্ত আমাকে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি, পানি পর্যন্ত না। পানি খেতে চাইলেই বলা হয়েছে : তুই শালা হিন্দু হয়ে গেছিস, তোকে পানিও দেওয়া হবে না। ১৩ই জুলাই আমাকে জেলখানায় সোপর্দ করা হয়। এই সময়টা আমাকে পা উপরের দিকে মাথা নিচের দিকে করে লটকিয়ে মারা হতো। যখন নিচে নামানো হতো তখন সারা দিনে দু′খানা রুটি ও পানি দেওয়া হতো বটে, কিন্তু কথায় কথায় লাথি মারা হতো। বিপদে পড়ে আমি আলেমের ছেলে নামাজ পড়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু নামাজের জন্য দাঁড়ালেই সৈন্যরা পেছন থেকে লাথি মারতো, বলতো, তুই শালা হিন্দু হয়ে গেছিস, তোর আবার কিসের নামাজ।

অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহ হত্যা

নূতন চন্দ্র সিংহ হত্যা মামলা হয়েছিলো ১৯৭২ সালের ১৩ এপ্রিল। এর বাদী সত্য রঞ্জন সিংহ। এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় এ কে এম ফজলুল কাদের চৌধুরী, পিতা আলহাজ আবদুল জব্বার চৌধুরী এবং দ্বিতীয় আসামি করা হয় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, পিতা এ কে এম ফজলুল কাদের চৌধুরীসহ ১০ জনকে। নূতন চন্দ্রের ছেলে প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহসহ মোট ১২ জন সাক্ষী ছিলেন এই মামলায়। মামলার এফ আই আর নং ইউ/এস/৩০২/১২০ (১৩)/২৯৮ বিপিসি।

মামলার আসামিদের মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ পাঁচজন পলাতক ছিলেন। অন্যদিকে তার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী ছিলেন জেলহাজতে। চন্দ্র সিংহকে হত্যার সময় দোতলা থেকে লুকিয়ে এ হত্যাকাণ্ড দেখেন তার কর্মচারী ব্রজহরি কর্মকার।

সব আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। চার্জশিটে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলা হয়।

নূতন চন্দ্র সিংহের ছেলে প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল গহীরা হাই স্কুলের ছাদে কামান বসিয়ে মিলিটারিরা সকাল থেকে চারধারে গোলাবর্ষণ করতে থাকে। তার কোন কোনটি এসে কুন্ডেশ্বরী ভবনকে আঘাত করছিল। মিলিটারি আসার আগেই পরিবারের সব সদস্য আর কর্মচারীদের কুণ্ডেশ্বরী ভবন থেকে সরিয়ে দেন অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহ। কিন্তু নিজে কুণ্ডেশ্বরী মন্দিরকে আঁকড়ে পড়ে ছিলেন। মিলিটারি আসতে পারে অনুমান করে উঠানে তাদের অভ্যর্থনার জন্যে চেয়ার টেবিল সাজিয়ে রেখেছিলেন। মিলিটারি এলো দুটি জীপে, একটিতে ফজলুল কাদের চৌধুরীর বড় ছেলে সালাউদ্দিন কাদের ছিলেন।

কুণ্ডেশ্বর ভবনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তাদের কর্মচারী ব্রজহরি কর্মকার। ভবনের দোতলা থেকে লুকিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ব্রজহরি কর্মকার দেখেন।

সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করে নূতন চন্দ্র সিংহের ছেলে প্রফুল্ল রঞ্জন বলেন, পেছনে চারখানি ট্যাংক কুণ্ডেশ্বরীর রাস্তায় দাঁড়িয়ে। অধ্যক্ষ মিলিটারিকে অভ্যর্থনা জানালেন। মিলিটারিরা সন্তুষ্ট হয়ে চলে গেল। কিন্তু সালাউদ্দিন তাদের ফিরিয়ে আনলেন। তার বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী বলে দিয়েছেন : এই মালাউনকে আস্ত রাখলে চলবে না। প্রফুল্ল রঞ্জন জানান, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী নিজ হাতে তার বাবাকে তিনটি গুলি করে। একটি গুলি চোখের নিচে বিদ্ধ হয়, একটি গুলি তার হাতে লাগে, তৃতীয় গুলি তার বক্ষভেদ করে যায়।

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত মাহবুব-উল-আলমের বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিবৃত্ত গ্রন্থে বলা হয়েছে : নূতন চন্দ্র সিংহের জন্য কেঁদেছে হিন্দু, কেঁদেছে মুসলমান। মুসলমান যখন কেঁদেছে সালাউদ্দীন বলেছে, মালাউন মলো, তোমরা শোক কচ্ছ কেন? ...

১৩ এপ্রিল, ১৯৭১ শুধু কুণ্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহের হত্যা ছাড়াও অন্য দুইটি হত্যাকাণ্ড হয়। ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর লোকজন সকাল সাড়ে দশটায় গহীরার বনেদী বিশ্বাস পরিবারে ঢুকে চিত্তরঞ্জন বিশ্বাসের ছেলে কলেজছাত্র হরি বিশ্বাসকে ধরে ফেলে এবং তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৮৭ সালে মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায় বইতে লেখা হয়েছে : রাউজানে গহিরা বিশ্বাস বাড়ি, উত্তর সর্তা, সুলতানপুর জগৎ মল্লপাড়া এলাকায় কমপক্ষে ৪৭ জনকে নির্মমভাবে খুন করে সাকা ও পাকবাহিনী।

ভাগ্যক্রমে সে গণহত্যায় বেঁচে যান অনেকে। সে গণহত্যায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জড়িত থাকার অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শী মাখন চন্দ্র পাল, উর্মিলা পাল, তপতী পাল, মিনতি মহাজন।

শেখ মোজাফফর ও শেখ আলমগীর হত্যা

চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোজাফফর এবং তার ছেলে শেখ আলমগীরকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার সহযোগীরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল হাটহাজারী পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের কাছাকাছি সড়ক থেকে ধরে নিয়ে যায় হাটহাজারী ক্যাম্পে। সেখানে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে তাদের লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শহীদ মোজাফফরের ছেলে শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে তিনি বলেন, পাকিস্তানী এক ক্যাপ্টেনের সহায়তায় এ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালান সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। সে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তাদেরই আত্মীয় মমতাজ বেগম।

মমতাজ বেগমের বরাত দিয়ে শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, একই গাড়িতে করে তারা যাচ্ছিলেন। পথে হাটহাজারী এলাকায় তাদের গাড়ি তল্লাশি করে দুজনকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর তখনকার অনুচর মোসলেম ছিলেন।

স্বাধীনতার পর শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরও বাদী হয়ে একটি মামলা করেছিলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীদের বিরুদ্ধে।

মোহাম্মদ হানিফ হত্যা

নোয়াপাড়া কর্তার দিঘীর পাড়। সোনা মিয়ার বাড়ি। রাউজান থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে। এখানেই থাকতেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হানিফ। একাত্তরে সাকার সহচর মুন্সী ও ফয়েজ ধরে নিয়ে যায় তাকে। নৃশংস সে হত্যাকাণ্ডের পরই গ্রাম থেকে পালিয়ে যান তার স্ত্রী নূর বেগম। কোলে ছোট্ট শিশু তাজউদ্দিন। এখন হাটহাজারী আকবরিয়া মাদ্রাসার পাশেই বাপের বাড়ি থাকেন হানিফের স্ত্রী।

ছেলে তাজউদ্দিন বলেন, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার অনুচর মোসলেম তার বাবাকে ধরে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

সাকাকে অ্যাম্বুস

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, সাকার মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কাজ ঠেকাতে সেসময় তাকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তারা। খবর আসে, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী যাবেন পরিচিত একজনের বাড়ি। এটা মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকের কথা। ঠিক হলো, তাকে অ্যাম্বুস করা হবে। সেদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো। এক গজ দূরের জিনিসও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল না বলে জানান সে অপারেশনে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবসার। অভিযানে আরও অংশ নেন সৌরিন্দ্র নাথ সেন ও ফজলুল হক ভুঁইয়া।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাহবুব বলেন, খবর ছিলো সাকা গাড়ির সামনের সীটে থাকবেন। পরিকল্পনা মতো প্রস্তুত মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু সালাউদ্দিন ছিলেন গাড়ির পেছনের সীটে। মুক্তিযোদ্ধারা তার গাড়িতে গুলি করলে ড্রাইভার নিহত হন। পালিয়ে যান সাকা। কিন্তু তার পায়ে গুলি লাগে। আর তারপরই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে তার বাবা বিলেতে পাঠিয়ে দেন।

৬টি মামলা

বাংলাদশে স্বাধীন হবার পর রাউজান থানাতেই ফকা চৌধুরী ও সাকা চৌধুরীসহ অন্যদেরআসামি করে ৬টি মামলা হয়েছিলো। মামলা নম্বর : ৪১ (১) ৭২, ৪ (৩) ৭২, ৯ (৩) ৭২, ৪ (৪) ৭২, ৫ (৪) ৭২ ও ১৮ (৪) ৭২।

পরবর্তীকালে এসব মামলার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একট রিট পিটিশন করা হয় (পিটিশন নম্বর ৩৬৫/৭৩)। মামলাগুলো হাইকোর্টে স্থানান্তর করা হয় সাকা চৌধুরীদের পক্ষ থেকে। ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন এসব মামলা পুনরুজ্জীবিত করে পুনঃতদন্তের আদশে দেওয়া হয়েছিলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।